ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায়
ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায় সম্পর্কে যদি আপনার জানা না থাকে তাহলে আজকের এই ব্লগ থেকে জেনে নিন। ডায়াবেটিস রোগীরা কিভাবে পায়ের ঘা শুকাবেন তা নিয়েই আজকের এই আর্টিকেল। তাই আর দেরি না করে আসুন জেনে নিন।
যদি আপনারা এই আর্টিকেলটি একদম শেষ পর্যন্ত পড়েন তাহলে পায়ের ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে জানতে পারবেন। যেগুলো আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আসুন আর দেরি না করে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
পেজ সূচিপএ
ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায়
ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায় সম্পর্কে যদি আপনাদের জানা না থাকে তাহলে আজকের এই আর্টিকেলের অংশটুকু থেকে জেনে নিন। ডায়াবেটিস আছে যাদের তাদের পায়ের যত্ন না নিলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। পায়ে ক্ষত ও সংক্রমণ হতে পারে যা ছোট বড় আকার ধারণ করতে পারে।
পায়ে ঘা কিংবা আলসার হতে পারে যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এতে করে আপনার পায়ের কিছু নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে পা কেটে ফেলতেও হতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে যারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত থাকেন সাধারণত তাদের এ ধরনের সমস্যা অনেক বেশি দেখা যায়।
আরো পড়ুন: দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ওষুধ
যাদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ থাকেনা এবং ধূমপান করেন এবং উচ্চ রক্তচাপ উচ্চ কলেজ বা শরীরে ওজন বৃদ্ধি তাদের সাধারণত এ ধরনের বেশি সমস্যা দেখা যায়। তবে যদি আপনার পায়ে ঘা হয় তাহলে এটি যত দ্রুত সম্ভব শুকানোর উপায় অবলম্বন করতে হবে। তাই আসুন পায়ের ঘা শুকানোর কিছু উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। যা আপনাদের জন্য জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- যদি আপনি ডায়াবেটিস রোগীও থাকেন এবং যদি আপনার পায়ে ঘা হয় তাহলে এটি যদি আপনি শুকাতে চান সবার প্রথমে আপনাকে পা পরীক্ষা করে নিতে হবে।
- তারপর সব সময় পা পরিস্কার ও শুষ্ক রাখতে হবে যাতে করে কোন ভাবেই পায়ে পানি না থাকে।
- নরম এবং আরামদায়ক ও সঠিক মাপের জুতা পরিধান করতে হবে যাতে করে কোন রকম পা কষ্ট না বুঝতে পারে।
- শুধু তাই নয় হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিতে হবে এবং অতিরিক্ত বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা যাবে না।
- পায়ের নখ প্রতিদিন কাটতে হবে এবং পরিচর্যা করতে হবে। কনা করে কিংবা ছোট বড় করে নখ কাটা একদমই উচিত নয় এতে করে নখের কোনার মাধ্যমে ক্ষত তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
- পায়ে সবসময় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। তবে খেয়াল রাখবেন পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকে ফাঁকে যেন কখনোই ব্যবহার না করা হয়।
- এই উপায়গুলো অবলম্বন করার পরে দেখবেন আপনার পায়ের ত্বক পরিবর্তন হচ্ছে কিনা। যদি কোন রকম পরিবর্তন বা ক্ষত ভালো না হয় তাহলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
পায়ের ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায়
পায়ের ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় ও রয়েছে। এতক্ষণ আমরা উপরে জানলাম ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায় সম্পর্কে। এখন আমরা জেনে নিব পায়ের ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে। তাই আপনাদের যাদের পায়ে ঘা হয়েছে এবং এটি ঘরোয়া উপায়ে শুকাতে চান তারা অবশ্যই এই আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন। আশা করি আপনারা এই আর্টিকেলের অংশটুকু থেকে সঠিক সমাধান পেয়ে যাবেন।
পায়ের ঘা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি সাধারণ সমস্যা। এটি কখনো দুর্ঘটনার কারণে হতে পারে, আবার কখনো ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যার ফলেও দেখা দেয়। পায়ের ঘা যদি সঠিকভাবে যত্ন না নেওয়া হয়, তবে তা সংক্রমণের দিকে যেতে পারে। এখানে আমরা পায়ের ঘা দ্রুত শুকানোর জন্য কয়েকটি সহজ এবং কার্যকর ঘরোয়া উপায় নিয়ে আলোচনা করব। যা আপনার জন্য অনেক উপকারী হতে চলেছে।
লবণ-পানির ব্যবহারঃ লবণ-পানি একটি প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। হালকা গরম পানিতে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এরপর পরিষ্কার কাপড় বা তুলা দিয়ে পায়ের ঘাটি ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। এতে করে আপনার পায়ের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করবে এবং দ্রুত ঘা শুকাতে অনেক বেশি সাহায্য করবে।
হলুদের ব্যবহারঃ হলুদে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক এবং প্রদাহবিরোধী উপাদান। এক চা চামচ হলুদের গুঁড়ার সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর এই পেস্টটুকু পায়ের ক্ষতস্থানের সাইড দিয়ে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে শুকাতে দিন। তারপর দেখবেন আপনার এটি করার ফলে দ্রুত পায়ের ঘা শুকিয়ে যাবে।
মধুঃ মধু একটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানসমৃদ্ধ। যদি আপনার পায়ে ঘা হয়ে থাকে তাহলে সেটি শুকানোর জন্য প্রথমে আপনাকে একটি পরিষ্কার তুলায় সামান্য মধু নিয়ে পায়ের ঘার উপরে লাগিয়ে নিতে হবে। এরপর কিছুক্ষণ শুকাতে দিন। এটি ত্বকের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত ঠিক করতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরাঃ অ্যালোভেরা জেল পায়ের ঘা ব্যথা কমাতে এবং দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। তাজা অ্যালোভেরা পাতা কেটে ভেতরের জেল বের করে নিন। এটি সরাসরি ঘা এর উপরে লাগিয়ে রাখুন এবং শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন এভাবে ব্যবহার করলে আপনার পায়ের ঘা শুকিয়ে যাবে।
আরো পড়ুন: ইসবগুলের ভুষি ও তোকমা খাওয়ার নিয়ম
নিম পাতাঃ নিম পাতা প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে। কিছু নিম পাতা পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন এবং সেই পানি ঠান্ডা হলে ঘা ধোয়ার জন্য ব্যবহার করুন। এছাড়াও নিম পাতা পেস্ট করে সরাসরি ঘার উপরে লাগানো যেতে পারে। আশা করি ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায় সম্পর্কে জানার পাশাপাশি পায়ের ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কেও সঠিক ভাবে জেনে উপকৃত হয়েছেন।
দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায়
দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায় সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত এখন জানাবো। বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস রোগের সংখ্যা এত বেশি বেড়েছে যে বলা বাহুল্য। মূলত অনেকেই দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিভিন্ন উপায় খুঁজে দেখেন। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন এবং অনেক কার্যকরী উপায় অবলম্বন করেন।
কিন্তু আজকে আমি আপনাদের এমন কিছু উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব যেগুলো আপনার দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। তার কথা না বাড়িয়ে আসন দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।
নিয়মিত ব্লাড সুগার চেকআপ করাঃ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সবার প্রথমে আপনার যে পদক্ষেপে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটি হল প্রতিনিয়ত ব্লাড সুগার চেকআপ করা। আপনি যে ডাক্তারের কাছে যান না কেন অবশ্যই প্রতি মাসে বা প্রতি তিন মাস পর পর পরীক্ষা করে নিবেন। এতে করে আপনার ব্লাড সুগার রিপোর্ট অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে অনেক বেশি সহজ হবে।
পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করাঃ যদি আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই খাবারের বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। প্রতিদিন কি কি খাবার খাচ্ছেন সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অল্প পরিমাণে খান কিন্তু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন। এতে করে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকবে। ফলে ডায়াবেটিস দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
ব্যায়াম করুনঃ নির্দিষ্ট মাত্রায় আপনাকে প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। কারণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইলে ব্যায়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি প্রতিদিন ব্যায়াম করেন তাহলে মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নত হবে এবং ব্লাড সুগার স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। ফলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুনঃ ডাইবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যখন আপনি প্রস্রাব করবেন তখন আপনার শরীর থেকে অতিরিক্ত গ্লুকোজ বের হয়ে যাবে। শুধু তাই নয় শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন পুষ্টি ইত্যাদি বজায় রাখবে তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
পর্যাপ্ত ঘুমানোঃ সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষের প্রতিনিয়ত ৬ থেকে ৭ ঘন্টা ঘুমানো জরুরী। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যদি প্রতিনিয়ত সাত থেকে নয় ঘন্টা না ঘুমান তাহলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর যদি আপনার ঘুমের ঘাটতি হয় তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনার শরীর কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম নিশ্চিত করুন এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখুন। এছাড়াও মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন এবং নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করুন।
ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা
ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা সম্পর্কে যদি আপনাদের প্রশ্ন থাকে তাহলে আজকের এই ব্লগ থেকে সঠিক প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন। একটি স্বাস্থ্যকর ও সুষম ডায়েটের জন্য প্রধানত আপনাকে পাঁচটি পদের খাবার গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরী। যেমনঃ-
- ফলমূল ও শাকসবজি
- শ্বেতসার সমৃদ্ধ খাবার। (যেমন-- লাল বা বাদামী চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা পাউরুটি)
- প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। (যেমনঃ- ডিম, মাছ, মাংস, শিম ও অন্যান্য বীন, ডাল, বিভিন্ন ধরনের বাদাম)
- দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। (যেমন-- দই, ছানা ও পনির)
- বিভিন্ন ধরনের তেল, মাখন, ঘি
উপরে উল্লেখিত যেসকল খাবারগুলোর নাম দেয়া হয়েছে মূলত সেগুলো ডায়াবেটিস রোগের খাদ্য তালিকা। তবে এখানে আপনি দৈনিক কতটুকু খাবার ও পানি গ্রহণ করবেন তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আপনার বয়সের উপর এবং লিঙ্গর উপর ও শারীরিক পরিশ্রম এবং আপনার ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে কি কি লক্ষণ নির্ধারণ করছেন তার ওপর।
তবে উপরে যে সকল খাবারগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো শুধু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয় এই খাবারগুলো যদি আপনি সুস্থ মানুষ হয়েও খেয়ে থাকেন তাহলে আশা করা যায় আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। তাই আপনারা যারা নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান তারা চাইলে উপরে উল্লেখিত খাবার গুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
ডায়াবেটিস রোগীর মুখে ঘা হলে করণীয়
ডায়াবেটিস রোগীর মুখে ঘা হলে করণীয় কি সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। ডায়াবেটিস এর একজন রোগীদের উচিত তাদের মুখের ভেতরের সব কিছু যেমন দাঁত মাড়ি ও জিহ্বার যত্ন নেওয়া। কারণ যদি আপনারা এগুলোর যত্ন না নেন তাহলে মুখে ঘা বা ইনফেকশন তৈরি হতে পারে যা পরবর্তীতে মারাত্মক ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এ ধরনের সমস্যা এরাতে অবশ্যই কি কি করণীয় তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
তাই আজকে আমি এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে ডায়াবেটিস রোগীর মুখে ঘা হলে করণীয় কি তা সঠিকভাবে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। শুধু যে ডায়াবেটিস রোগীর মুখে ঘা হলে সমাধান হবে তা নয়। সুস্থ মানুষের মুখে ঘা হলেও নিম্নের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করলে আশা করি ভালো হয়ে যাবে। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
প্রথমত আপনাকে নিয়মিত স্কেলিং করতে হবে যাতে করে দাঁত মাড়ি এগুলো সুস্থ থাকে। প্রয়োজনে আপনাকে চিকিৎসা করতে হবে। মুখের ভেতরে থাকা লালা দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে অনেক বেশি সাহায্য করে পাশাপাশি খাবারের টুকরো ধুয়ে ফেলতে এবং ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি রোধ করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। তার কারণ হলো লালাই রয়েছে খনিজ উপাদান ঠিক সেই কারণেই আপনার সমস্যাগুলো দূর করতে সাহায্য।
শুধু তাই নয় মুখের টিস্যুর রক্ষা করতে এবং দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে অনেক বেশি সাহায্য করবে। যদি ডায়াবেটিস রোগীদের মুখে ঘা কিংবা অন্যান্য ইনফেকশন হয় তাহলে এটি দূর করতেও অনেক বেশি সাহায্য করবে। তবে যদি আপনার মুখের ঘা অতিরিক্ত বেড়ে যায় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। কারণ একমাত্র চিকিৎসা আপনার ঘা নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা দিতে পারবেন।
ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ব্যথা
ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ব্যথার কারণ হলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মধ্যে না থাকা। ডায়াবেটিস যদি নিয়ন্ত্রণের ভেতরে না থাকে তাহলে পায়ের ব্যথা এবং আরো বিভিন্ন জটিলতা হতে পারে। আর এটি যদি আপনার দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে উচ্চ রক্তের শর্করা মাত্রার প্রধান কারণ হিসেবে পায়ে ব্যথা দাঁড়াবে। কারণ ডায়াবেটিস স্নায়ুর ক্ষতি করে এবং এটির কারণেই ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথি হয়।
আরো পড়ুন: কোন ভিটামিনের অভাবে হাত-পা জ্বালাপোড়া করে
ক্ষতিগ্রস্ত যে স্নায় গুলো রয়েছে সেটি শরীরে বিভিন্ন অংশ সংকেত পাঠানো বন্ধ করে ফলে আপনার কাফনে পায়ে ব্যথা সহ আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয় দুর্বলতা সহ আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই যদি আপনারা পায়ের ব্যথা নিরাময় করতে চান তাহলে নিচের কিছু পয়েন্ট অনুসরণ করুন। আশা করি সঠিক সমাধান পেয়ে যাবেন।
- উষ্ণ পানিতে পা ভিজে রাখুন।
- পায়ের ম্যাসাজ করুন।
- স্ট্রেচিং এবং ব্যায়াম করুন। যাতে করে আপনার পায়ের ব্যথা উপশম পাওয়া যায়।
- জীবনধারা পরিবর্তন করুন। অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন।
- মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকুন।
- যদি পারেন তাহলে বরফ দিয়ে ব্যাথার স্থানে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন।
পায়ের ঘা শুকানোর ঔষধ
পায়ের ঘা শুকানোর ওষুধ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে রাখা প্রয়োজন কারণ ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে বেশিরভাগ সময় ঘা দেখা দেয়। পায়ের ঘা অনেক সময়ই অস্বস্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। এটি যদি ঠিকভাবে চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে সংক্রমণ বা অন্যান্য জটিলতার সম্ভাবনা থাকে। তবে সঠিক ঔষধ ও পদ্ধতি অনুসরণ করলে পায়ের ঘা দ্রুত শুকিয়ে যায়। তাই আসুন এই অংশটুকু থেকে পায়ের ঘা শুকানোর ঔষধ কি কি রয়েছে জেনে নিন।
অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম বা পাউডারঃ পায়ের ঘার সংক্রমণ প্রতিরোধে অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম অত্যন্ত কার্যকর। এটি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমায় এবং দ্রুত আরোগ্য নিশ্চিত করে।
অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধঃ যদি পায়ের ঘায় ইনফেকশন থাকে, ডাক্তার সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখে দেন। এটি ঘা শুকানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
হারবাল ক্রিমঃ নিম, অ্যালোভেরা বা হলুদের মতো প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত ক্রিম পায়ের ঘা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। এগুলো ঘা শুকানোর পাশাপাশি চুলকানি বা জ্বালাপোড়া কমায়।
শেষ কথাঃ ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায়
ইতিমধ্যে আশা করি আপনারা সকলেই এই ব্লগের সম্পূর্ণ আলোচনাটুকু পড়ে বুঝতে পেরেছেন ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের ঘা শুকানোর উপায় এবং পায়ের ঘা শুকানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে। আপনারা যারা সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হয়েছেন তাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ এই আর্টিকেলটি আপনার বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন সবার কাছে শেয়ার করুন। পাশাপাশি এই ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url