স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ সম্পর্কে আপনার যদি ভালোভাবে জানা না থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে বিস্তারিত তথ্য জেনে যাবেন।
এই আর্টিকেলের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির দোয়া, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ভিটামিন, মাথার ব্রেন ভালো রাখার উপায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সিরাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব। তাই আর্টিকেলটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গেই থাকুন।
পেজ সূচিপএ
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ সম্পর্কে তারাই জানতে চাই যাদের স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি কম থাকে কিংবা খুব অল্পতেই সবকিছু ভুলে যাওয়ার সমস্যায় পড়ে। স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কিছুটা কারণ মানুষের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং মানসিক চাপের ওপরও নির্ভর করে। আগের দিনের চাইতে এখনকার দিনে মানুষের স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।
আরো পড়ুন: কোন ভিটামিনের অভাবে শরীর কাঁপে
এমন অনেক সময় রয়েছে যখন মানুষ খুব অল্প সময়ের কথাও মনে রাখতে পারেনা কিংবা খুব অল্পতে মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। তাই কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গেছে স্মৃতিশক্তি হ্রাস হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হল খারাপ জীবনধারা। বৃদ্ধ বয়সে কিছু ভুলে গেলে এটি একটি সাধারণ সমস্যা হতে পারে কিন্তু এখনকার দিনে তরুণদের ভেতরেও এমন সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে যদি সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে জীবনে কিছু করার ইচ্ছা থাকে তাহলে অবশ্যই স্মৃতিশক্তি দ্রুত বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য আপনি কিছু আয়ুর্বেদিক ওষুধ গ্রহণ করতে পারেন। কিছু কিছু আয়ুর্বেদিক ওষুধ রয়েছে যেগুলো খাওয়ার পরে আপনার স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। আসুন তাহলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ সম্পর্কে কিছু ধারনা নেই।
- শঙ্খপুষ্পী: শঙ্খপুষ্পী একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে বহু যুগ আগে থেকে পরিচিত। শঙ্খপুষ্পীকে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় অত্যন্ত শক্তিশালী ভেষজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শঙ্খপুষ্পী আপনার মনকে শান্ত করে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আপনার মনের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে সতেজ করতে সহায়তা করে। শঙ্খপুষ্পী আপনি বাজারে কিংবা আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের কাছে গুড়ো কিংবা সিরাপ আকারে পাবেন। শঙ্খপুষ্পীর গুড়ো আপনি এক চা চামচ হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
- তুলসী: স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য তুলসী একটি অন্যতম ভেষজ হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। তুলসী পাতা শুধু আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়ায় না এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারী। তুলসী পাতার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য যেমন অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, এন্টিভাইরাল এবং এন্টি ক্যার্সিনোজেনিক। আপনি যদি আপনার স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে চান তাহলে অবশ্যই প্রতিদিন তুলসীপাতা সাথে কালো মরিচ ও মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে আপনার স্মৃতিশক্তি উন্নত হবে।
- অশ্বগন্ধা: স্মৃতিশক্তি বাড়াতে অশ্বগন্ধার ভূমিকা অনেক। অশ্বগন্ধা নিয়মিত খেলে আমাদের স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি বৃদ্ধি পায় এবং অশ্বগন্ধা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো একটি ভেষজ ওষুধ। অশ্বগন্ধা স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে মস্তিষ্কের বিভিন্ন ধরনের রোগের ঝুঁকি কমায়। আপনি যদি অশ্বগন্ধা এমনি খেতে না পারেন তাহলে দুধ, জল, মধু বা মাখনের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে আপনার স্মৃতিশক্তি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
- গুরুচি: স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে গুরুচির ভূমিকা কোন অংশে কম না। গুরুচি স্মৃতিশক্তি উন্নত করে স্মৃতিশক্তি অনেকক্ষণ পর্যন্ত আপনার মস্তিষ্কে ধরে রাখতে সাহায্য করে।গুরুচি বিভিন্নভাবে আপনি খেতে পারেন যেমন চা হিসেবে, গুরুচির পাউডার পানিতে মিশিয়ে কিংবা গুরুচির ক্যাপসুল পানি দিয়ে খেতে পারেন।
- ব্রাক্ষী: ব্রাক্ষী পাচীন ভেষজ হিসেবে বহু যুগ আগে থেকেই পরিচিত। ব্রাক্ষী মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওষুধি গুণাবলী। ব্রাক্ষী সাধারণত মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে ও আপনার মনোযোগ ঠিক রাখতে সহায়তা করে। ব্রাক্ষী আপনার মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে শান্ত করতে সহায়তা করে। আপনার যদি ভুলে যাওয়ার সমস্যা থাকে কিংবা খুব সহজে সবকিছু ভুলে যান তাহলে অবশ্যই ব্রাক্ষী পাউডার প্রতিদিন দুধ কিংবা জলের সাথে মিশিয়ে গ্রহণ করুন। খুব অল্প কয়েকদিনের ভিতরেই লক্ষ্য করবেন আপনার স্মৃতিশক্তির উন্নতি হয়েছে।
উপরের এই আয়ুর্বেদিক ওষুধগুলো আপনি প্রতিদিন খেতে পারেন আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ওষুধগুলো আপনি অবশ্যই একজন ভালো আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর গ্রহণ করুন। কারণ কারো কারো শরীরে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা থাকতে পারে। তাই অবশ্যই একজন ভালো আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ভেষজ গুলো গ্রহণ করলে আপনি নিয়মগুলো ভালোভাবে জানতে পারবেন এবং খুব বেশি উপকৃত হবেন।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া ঔষধ
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া ঔষধ কিংবা অভ্যাস অনুসরণ করে আপনি আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করতে পারেন। এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো নিত্যদিন আপনার খাদ্য তালিকায় রাখলে আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং কিছু কিছু অভ্যাস রয়েছে যেগুলো পাল্টালে আপনি খুব সহজেই সবকিছু মনে রাখতে পারবেন। চলুন তাহলে জেনে নেই স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ঘরোয়া ওষুধ সম্পর্কে।
তুলসী পাতা ও মধু: প্রতিদিন সকালে তুলসীপাতা ও মধু একসাথে মিশিয়ে খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং মানসিক চাপ মুক্ত হয় ও কোন কিছুতে খুব সহজেই মনোযোগ দিতে পারে।
ফল: স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আপনি বিভিন্ন ধরনের ফল খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। বিশেষ করে শুকনো ফল যেমন খেজুর ও কিসমিস স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কোন ভূমিকা রাখে।
বাদাম: স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য বাদামের ভূমিকা কোন অংশে কম না। বাদাম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে স্মৃতিশক্তি উন্নত করে কারণ বাদামের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন ই।
দারুচিনি ও মধু: দারুচিনি ও মধু একসাথে গুড়ো করে মিশিয়ে খেলে মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলো সচল হয়।
পানি: স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আপনি প্রজ্জত পরিমানে পানি পান করুন কারণ আপনার শরীরে পানি শূন্যতা থাকলে শরীর অনেক দুর্বল অনুভব হবে এবং কোন কাজে মনোযোগ ঠিক মতন আসবে না।
গ্রিন টি: সারাদিনে এক কাপ গ্রিন টি আপনার মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনবে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করবে।
ঘুম: কোন কাজে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য আপনার পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম দরকার। প্রতি রাতে অন্তত ৭/৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন।
এছাড়া ঘরোয়া পদ্ধতিতে আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যায়াম। মাথায় ব্রাক্ষী তেল ব্যবহার করতে পারেন এবং বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। মস্তিষ্ককে অতিরিক্ত চাপে ফেলা যাবে না এতে আপনার স্মৃতিশক্তি অনেকটাই কমে যাবে এছাড়া আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি খেয়েছে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন। তাছাড়া আপনার যদি অতিরিক্ত পরিমাণে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায় তাহলে অবশ্যই একজন ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির দোয়া
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির দোয়া ও অনেকজন পড়ে থাকে। যাদের স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি কম সহজে পড়াশোনায় মন বসে না তারা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির দোয়া সম্পর্কে জানতে চাই। আপনি আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করা ছাড়াও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির দোয়া পড়েও আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।
আরো পড়ুন: পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ইসলামিক উপায়
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী দোয়া সম্পর্কে অনেক আলেম অনেক রকম ব্যাখ্যা দিয়েছেন কিন্তু নির্দিষ্টভাবে নাম চিহ্নিত করেননি। অনেকের ধারণা রয়েছে আল্লাহ ইচ্ছে করেই এই নাম ও দোয়াকে লুকিয়ে রেখেছেন কারণ অনেকেই স্থানভেদে কিংবা কিছু মানুষ খারাপ উদ্দেশ্যে দোয়া ব্যবহার করতে পারে। কবে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য সাধারণ কিছু দোয়া রয়েছে যেগুলো আমরা খুব সহজেই মুখস্ত করে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে পারি। তাহলে চলুন স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির দোয়া সম্পর্কে জানি।
দোয়া: "রাব্বি জিদনি ইলমা"
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করো।
দোয়া: "সুবহা নাকা লা ইলমা লানা ইল্লা মা আল্লামতানা ইন্নাকা আনতাল আলিমুল হাকিম"
অর্থ: আপনি পবিত্র আমরা কোন কিছুই জানিনা, তবে আপনি আমাদের যা শিখিয়েছেন নিশ্চয়ই আপনি প্রকৃত জ্ঞানসম্পন্ন, হেকমতওয়ালা।
শুধু এ দোয়াগুলো পড়লে আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাবে না এর সাথে সাথে বিভিন্ন রকমের খারাপ কাজ থেকে আপনাকে বিরত থাকতে হবে এবং প্রতিনিয়ত আল্লাহর ওপরে শুকরিয়া আদায় করতে হবে।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির খাবার সম্পর্কে অনেকেই জানতে চাই। অনেকেই রয়েছে যারা বিভিন্ন ধরনের আয়ুর্বেদিক ওষুধ খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রেখে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবারের ওপরে নির্ভর হয়। স্মৃতিশক্তি কমে গেলে আমাদের জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।
অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিস আমরা খুব সহজে চোখের সামনে থাকার পরও খুঁজে পায় না। বিশেষ করে যারা ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে তাদের জন্য স্মৃতিশক্তি কমে গেলে খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।
- স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আপনি প্রতিদিন আপনার খাদ্যতালিকায় ডিম রাখতে পারেন। ডিম কোলন সমৃদ্ধ একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে তাই প্রতিদিন ডিম খেলে আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
- প্রতিদিন বাদাম খাদ্য তালিকায় রাখা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর একটি প্রধান উৎস হতে পারে। আমরা ছোট থেকে বড় প্রায় সকলেই বাদাম খেতে খুব বেশি পছন্দ করি আর বাদামের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ই তাই আপনি যদি নিয়মিত চিনা বাদাম, কাঠবাদাম, আখরোট ইত্যাদি আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করেন তাহলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
- ডার্ক চকলেটের মধ্যে রয়েছে ফ্ল্যাভোনয়েড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ক্যাফেইন। আর এই উপাদান গুলো আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। তাই আপনি প্রতিদিন পরিমাণ মতো চকলেট স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য খেতে পারেন।
- স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য আপনি চর্বিযুক্ত ও সামুদ্রিক মাছ বেশি পরিমাণে খেতে পারেন। এসব মাছের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। আর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন অবশ্যই চর্বিযুক্ত সামুদ্রিক মাছ খাদ্য তালিকায় রাখুন।
- বিভিন্ন ধরনের বীজ আপনি স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য খেতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের বীজ স্মৃতিশক্তি বাড়াতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কারণ বীজের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ উপাদান এবং মস্তিষ্ক ঠিক রাখার কিছু যাদুকরি প্রোটিন। তাই অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের বীজ খাওয়ার অভ্যাস করুন। যেমন শীমের বীজ, কুমড়ার বীজ ইত্যাদি
- স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আপনি ব্রকলি খেতে পারেন ব্রকলি মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন কে আর এই উপাদান গুলি আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়া এই সবজির ভেতরে আরও অনেক ধরনের পুষ্টিগুণ উপাদান রয়েছে তাই অবশ্যই ব্রকলি আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করুন। এছাড়া ব্রকলি আপনার সন্তানের জন্য বিশেষ উপকারী একটি খাদ্য। তাই প্রতিদিন আপনার সন্তানের স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও ব্রকলি খাওয়াতে পারেন।
- স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আপনি প্রতিদিন সবুজ শাকসবজি খেতে পারেন। যেসব শাকসবজির ভেতরে আয়রন ও ফোলেট বেশি পরিমাণে রয়েছে। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে ফলমূল ও পানি পান করতে পারেন।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ভিটামিন
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ভিটামিন সম্পর্কে আমাদের তেমন কোন ধারণাই নেই। আমরা অনেক সময় অনেক জিনিস ভুলে যাই কিন্তু এ বিষয়টা নিয়ে তেমন কোন চিন্তা ভাবনা করি না। কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার শরীরে কিছু ভিটামিনের অভাব হলে আপনার স্মৃতিশক্তি ভুলে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হয়।
আপনার শরীর যদি ভিটামিন বি১২ ঘাটতি দেখা দেয় তাহলে আপনার চিন্তা শক্তি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাঘাত ঘটে। ভিটামিন বি১২ ঘাটতি হলে আপনার শরীরে ক্লান্তি ভাব আসে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়। বিভিন্ন কাজের ব্যাপারে তেমন মনোযোগ থাকে না কিংবা সব সময় শরীর ক্লান্ত অনুভব হয়।
ভিটামিন বি১২ ঘাটতি আমাদের শরীরে তেমন কোন প্রভাব ফেলে না তবে এটি যদি দীর্ঘমেয়াদী ভাবে চলতে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সাথে সাথে আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে তাই অবশ্যই ভিটামিন বি ১২যুক্ত খাবার কিংবা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স খাওয়া উচিত।
মাথার ব্রেন ভালো রাখার উপায়
মাথার ব্রেন ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই তেমন কোন ধারনা নেই। শরীরের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মাথার ব্রেন। মাথার ব্রেন যদি ঠিক না থাকে তাহলে আমাদের কোন কাজেই মন বসে না এবং কোন জিনিস সহজেই মনে রাখতে পারে না। অবশ্যই মাথার ব্রেন সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
বিভিন্ন ধরনের খাবার এবং কিছু নিত্যদিনের অভ্যাস দিয়ে আপনি আপনার মাথার ব্রেন সুস্থ রাখতে পারেন। চলুন তাহলে মাথার ব্রেন সুস্থ রাখার কিংবা ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে কিছু ধারনা নেই। মাথার ব্রেন সুস্থ রাখার জন্য আপনি প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন। যেসব মাছের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড রয়েছে কিংবা যে সব খাদ্যের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে সেসব খাদ্য গ্রহণ করুন।
মাথার ব্রেন ভালো রাখার জন্য অবশ্যই প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। কারণ ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বন্ধ থাকে এবং মস্তিষ্ক খুব সহজেই বিশ্রাম নিতে পারে। মাথার ব্রেন ভালো রাখার জন্য আপনাকে প্রতিদিন ব্যায়াম করা উচিত। বিশেষ করে যোগব্যায়াম বেশি বেশি করা উচিত।
মাথার ব্রেন ভালো রাখার জন্য অবশ্যই আপনাকে অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকতে হবে। মাথার ব্রেন ভালো রাখতে অবশ্যই অ্যালকোহল জাতীয় কোন খাবার খাওয়া উচিত না এবং প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত হয়।
মাথার ব্রেন ভালো রাখার জন্য অবশ্যই বিভিন্ন বন্ধু ও পরিবারদের সাথে সময় কাটান কারণ মানসিক শান্তি মাথার ব্রেন ভালো রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি আপনার মাথার ব্রেন ভালো রাখার কথা চিন্তা করেন তাহলে অবশ্যই উপরের এই পদ্ধতি গুলো মেনে চলুন এছাড়া নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। শৈশব কালে আমাদের স্মৃতিশক্তি খুব বেশি কর্মক্ষম থাকে কিন্তু আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতিশক্তি ও আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে। বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তবে বিশেষ কিছু ব্যায়াম রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি বৃদ্ধ বয়সেও আপনার স্মৃতিশক্তি অটুট রাখতে পারেন। চলুন তাহলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম সম্পর্কে জানি।
- আপনি আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য প্রতিদিন সকালে খুব সুন্দর ভাবে এক জায়গায় বসে দুই চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিন। এইভাবে যদি আপনি প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট ব্যায়াম করেন তাহলে আপনার মানসিক চাপ কমে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে।
- আপনি দিনের যেকোনো সময় নিঃশ্বাসের মাধ্যমেও ব্যায়াম করতে পারেন। খুব ভালোভাবে একটি জায়গায় সোজা হয়ে বসে নিঃশ্বাস ভেতর দিকে নিয়ে দুই সেকেন্ড পরে আবার ছেড়ে দিন এভাবে পাঁচ মিনিট করুন। এভাবে ব্যায়াম করলে আপনার মনসংযোগ বৃদ্ধি পায় এবং শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ হয়। এই ব্যায়ামটি আপনি দিনের যেকোনো সময় করতে পারেন। এই ব্যায়ামটি আপনার মনকে শান্ত করতে সাহায্য করবে।
- আপনি বিভিন্ন ধরনের শব্দ দিয়ে খেলতে পারেন। অবসর সময়ে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে শব্দ মেলানোর খেলা গুলো খেলতে পারেন এতে আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
- রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সারাদিন কি কাজ করেছেন সেগুলো খুব ভালোভাবে মনে করার চেষ্টা করুন এর ফলে আপনার মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে এবং খুব দ্রুত স্মৃতিশক্তি বাড়বে।
- প্রতিদিন সকালে অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম করুন। যেমন ব্যায়াম, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো ইত্যাদি।
- ক্যালকুলেটর ছাড়াই ছোট ছোট গণিতের অংক গুলোর হিসাব করার চেষ্টা করুন।
- বিভিন্ন ধরনের মেমোরি গেম গুলো খুঁজে বের করুন এবং সেগুলো খেলার চেষ্টা করুন।
- প্রতিদিন নতুন কিছু শিখার চেষ্টা করুন। এতে মস্তিষ্ক সচল থাকে এবং স্নায়ুর সংযোগ গুলো ঠিক রাখে।
স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির সিরাপ
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সিরাপ সম্পর্কে অনেকেই জানতে চাই। আমাদের মধ্যে অনেক জন রয়েছে যারা খুব সহজেই সবকিছু ভুলে যায় আর তারাই বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করেও যখন স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারে না তখন স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সিরাপ সম্পর্কে চিকিৎসকের কাছে জানতে চাই।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কিছু সিরাপ রয়েছে যেগুলো খেলে আপনার স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি উন্নত হবে তবে অবশ্যই একজন ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার সিরাপ খাওয়া উচিত। চলুন তাহলে কিছু সাধারণ সিরাপ সম্পর্কে জেনে আসি।
- স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য আপনি ব্রাক্ষি সিরাপ খেতে পারেন। এই সিরাপটি আপনার স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করবে এবং মনোযোগ উন্নত করতে সাহায্য করবে এবং মানসিক চাপ কমাবে।
- ডি এইচ এ সমৃদ্ধ সিরাপ স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য খেতে পারেন। এই সিরাপটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য সিরাপটি খুবই উপকারী।
- স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার জন্য আপনি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সিরাপ খেতে পারেন। কারণ ভিটামিন বি ১২ ঘাটতি হলে আমাদের স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়।
- স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আপনি জিংক এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ সিরাপ গ্রহণ করতে পারেন।
- এছাড়া গিংকো বিলোবা সিরাপ স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকরী। এই সিরাপটি মস্তিষ্কের ভেতরে রক্ত প্রবাহ উন্নত করে ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
শুধু সিরাপ এর ওপর নির্ভর করা উচিত না। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার ও ভিটামিনযুক্ত খাবার ও খাওয়া উচিত। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম ও মানসিক টেনশন থেকে মুক্ত থাকা উচিত।
কোন ফল খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে
কোন ফল খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে সে সম্পর্কে এখন আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব। কিছু কিছু ফল রয়েছে যেগুলো খেলে আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যেসব ফলের মধ্যে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে সেসব ফল স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রচুর পরিমাণে খাওয়া উচিত। যেমন প্রতিদিন স্ট্রবেরি খেলে আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরে কোষের প্রদাহ গুলো কমাতে সহায়তা করে এবং মস্তিষ্কের শক্তি উন্নত হয়।
প্রতিদিন আঙ্গুর খেলে আঙ্গুরের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। কলার মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম তাই প্রতিদিন আমাদের খাওয়াত তালিকায় কলা রাখা উচিত। প্রতিদিন কলা খেলে আপনার যে কোন বিষয়ের উপরে মনোযোগ বেশি হয় এবং অনেকক্ষণ পর্যন্ত সবকিছু মনে থাকে।
কমলা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে একটি অন্যতম ফল হিসেবে পরিচিত। কমলার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি আর ভিটামিন সি আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে মস্তিষ্ক ভালো রাখতে সহায়তা করে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এবং স্মৃতিশক্তি ঠিক রাখার জন্য আপনি প্রতিদিন আনারস খেতে পারেন। এছাড়া স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য আপনি প্রতিদিন ৭/৮ লিটার পানি গ্রহণ করুন। প্রতিদিন পর্যন্ত পরিমাণে পানি খেলে আপনার শরীরের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের দূষিত পদার্থ সহজে বের হয়ে যায় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
লেখকের শেষ কথা - স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ সম্পর্কে আশা করি আপনি একটি সঠিক ধারণা পেয়ে গেছেন। উপরে আমরা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেছি যদি আপনার স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি কম হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই উপরের পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করতে পারেন। অনেকেই রয়েছেন বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যস্ত থাকেন তারা স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি পদ্ধতি গুলোর সাহায্যে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করার সময় পান না।
আরো পড়ুন: কালোজিরা খাওয়ার ইসলামিক নিয়ম
আবার অনেক জন রয়েছেন যারা আয়ুর্বেদিক ওষুধের ওপরে তেমন ভরসা করেন না। তারা বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ামের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন। তবে আপনি যদি অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যস্ত হয়ে থাকেন তাহলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সিরাপ খেতে পারেন। আর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সিরাপ আপনাকে কোন ঝামেলা ছাড়াই আপনার স্মৃতিশক্তি দ্রুত বাড়াতে সহায়তা করবে।
প্রিয় পাঠক স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির আয়ুর্বেদিক ঔষধ সম্পর্কিত আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। আর এই আর্টিকেল থেকে যদি আপনার কোন মন্তব্য থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমরা খুব দ্রুত আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম। আর এতক্ষন আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য এবং আর্টিকেলটি খুব মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে আমার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url