শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা

আপনি কি শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা সম্পর্কে জানেন না?  যদি এই বিষয়টি সম্পর্কে জেনে না থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের আর্টিকেলটি একবার পড়ে নিতে পারেন। তাহলেই শিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন।
শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা
এছাড়াও এই আর্টিকেল যদি আপনারা একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েন তাহলে শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে, শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে, শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম, শিমের বিচি কোন ধরনের খাদ্য, শিমের বিচি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা এই সকল বিষয়ে জেনে যাবেন।
পেজ সূচিপএ

শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা

শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা সম্পর্কে যদি আপনাদের না জানা থাকে তাহলে অবশ্যই এই ব্লগের অংশটুকু থেকে জেনে নিতে পারেন। বর্তমান সময়ে শিমের বিচি খুবই কম দেখা যায়। এটি মূলত আগের মানুষেরা ভালোভাবে শুকিয়ে নিয়ে তারপর হাঁড়িতে রেখে দিতেন। এরপর সারা বছর রেখে দিয়ে শুকনো শিমের বিচি তরকারি হিসেবে রান্না করে খেতেন। 

এছাড়াও রাস্তায় বাদামওয়ালা শিমের শুকনো বেশি মাঝে মাঝে বিক্রি করতেন। এই শুকনো শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ রয়েছে। যেমন ফাইবার, ভিটামিন বি, প্রোটিন ইত্যাদি। যা ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। যারা আগে কখনো শুকনো শিমের বিচি খাওয়া হয়নি তারা চাইলে একবার খেয়ে দেখতে পারেন। যখন আপনারা অবসর সময় কিংবা আড্ডা দিবেন তখন এক মুঠো শুকনো সিমের বিচি খেতে পারেন ব্যাপক মজা পাবেন। 
এছাড়াও আপনারা জানলে অবাক হবেন, চট্টগ্রাম বিভাগে শুকনো সিমের বিচি ব্যাপক পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। সেই বিভাগের লোকেরা শুকনো শিমের বিচি দিয়ে সবজি ডাল মাছ ইত্যাদি আইটেমের রান্না তৈরি করে থাকেন। প্রিয় বন্ধুরা আপনারা চাইলে তাদের মত করেও চেষ্টা করতে পারেন। আশা করি শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা সম্পর্কে জেনে উপকৃত হয়েছেন।

শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে

শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে অনেকে জানতে চেয়েছেন, তবে শিমের বেশিতে ভিটামিন থাকার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানও রয়েছে যা আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না। তাই আজকে আমি এই আর্টিকেলে এ বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।

অনেকেরই পছন্দের সবজি হচ্ছে শিম। এটি যেমন সুস্বাদু ঠিক তেমনই পুষ্টিকর। শিমের বিচি ও শিমের পাতা দুটোই খাওয়া যায়। শিমের বিচিতে উচ্চমানের ফাইবার ও প্রোটিন রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে উচ্চমাত্রায় কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বি৬ বা ফোলেট। আর এই সকল পুষ্টি উপাদান গুলো মানুষের শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে। 

বিশেষ করে যারা ওজনের চিন্তা করেন তাদের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। প্রিয় বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই সিমের বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন। আশা করি শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে তা সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।

শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে

শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে? শিমের বিচি আমাদের দেশের জনপ্রিয় একটি খাদ্য উপাদান। এটি শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও অনন্য। তবে অনেকেই জানেন না, শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে কি না। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত হন। যারা স্বাস্থ্য সচেতন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন, তাদের জন্য এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে জেনে নিন
শিমের বিচি প্রাকৃতিক প্রোটিন, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেটের একটি চমৎকার উৎস। এটি শরীরের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমে যায়। তবুও, শিমের বিচি খাওয়ার সময় সঠিক পরিমাণে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অতিরিক্ত খেলে ক্যালোরি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

তবে, শিমের বিচি যদি সঠিক পরিমাণে এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে খাওয়া হয়, তাহলে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। শিমের বিচির ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এছাড়াও, এটি শক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে, যা আপনার দৈনন্দিন কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। 

শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম

শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আমরা অনেকেই ঠিকমতো জানিনা। আপনাদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন যারা শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাই আপনাদের সুবিধার্থে আজকে আমি এ বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। যদি আপনারা শিমের বিচি খেতে পারেন তাহলে এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। যদি আপনারা সঠিক নিয়মে শিমের বিচি খেতে পারেন তাহলে আশা করা যায় অনেক উপকারে আসবে।

শিমের বিচি খাওয়ার সঠিক নিয়ম হল প্রথমে আপনাকে সিদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর শিমের বিচি পেঁয়াজ, সরিষার, তেল, কাঁচামরিচ, একসঙ্গে মিশ্রণ করে ভর্তা তৈরি করে ভাতের সাথে খেতে পারবেন। এছাড়াও আপনার চাইলে শিমের বিচি সবজি রান্না করেও খেতে পারবেন। আবার অনেকে শিমের বিচি ভেজেও খেয়ে থাকে। 

শিমের বিচি আপনি শুকনো অবস্থায় ভেজে নেওয়ার পর, ৫ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত রেখে রান্না করে খেতে পারবেন।শিমের বিচিতে অনেক পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে যা শরীরের বিভিন্ন পুষ্টিগুনের চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। তাহলে আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন শিমের বিচি সঠিক নিয়মে খেলে কতটুকু উপকার হতে পারে।

শিমের বিচি কোন ধরনের খাদ্য

শিমের বিচি কোন ধরনের খাদ্য? এক ধরনের আমিষ খাদ্য। পুষ্টিবিদদের মতে প্রতি ১০০ গ্রাম খাওয়ার উপযোগী শিমের বিচিতে খাদ্য উপাদান রয়েছে ৩৪৭ কিলোক্যালোরি খাদ্যশক্তি, ০.৮০ গ্রাম চর্বি, ২৪.৯ গ্রাম আমিষ, ৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৭ মিলিগ্রাম লৌহ এবং ১ গ্রাম শর্করা। এই সিমের বিসি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। 

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছে যারা শিমের বিচি খেলে পছন্দ করেন না কিন্তু শিমের বিচি খেলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হওয়ার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। তাই আপনারা যারা আগে কখনো শিমের বিচি খান নাই তারা অবশ্যই খাদ্য তালিকায় রেখে প্রতিনিয়ত পরিমান মত খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

শিমের বিচি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

শিমের বিচি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে এখন আমরা আপনাদের বিস্তারিত জানাবো। শিমের বিচি আমাদের প্রত্যেকটা কম বেশি ঘরে ঘরে পরিচিত উপাদান। এটি খেতে যেমনি সুস্বাদু ঠিক তেমনি সুগন্ধীয়। অনেকেই এই শিমের বিচি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু এর মধ্যে অনেকে রয়েছে যারা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু যারা পছন্দ করেন না তারা কি জানেন এই শিমের বিচি খাওয়ার উপকারিতা কতটুকু রয়েছে? হয়তো অনেকেই জানেন না শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
আজকে আমি এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে শিমের বিচি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। যদি আপনাদের এ বিষয়টি সম্পর্কে না জানা থাকে তাহলে অবশ্যই এই অংশটুকু থেকে জেনে নিবেন। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নিন।

ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ শিমের বিচিতে রয়েছে ফাইবার। আর এটি মূলত দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরে রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। ফলে ক্ষুধা কম লাগে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করেঃ শিমের বিচিতে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট যা মস্তিষ্কের কোষকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

পুষ্টির চাহিদা মেটায়ঃ অনেকেরই পুষ্টির ঘাটতি রয়েছে আর এই পুষ্টির ঘাটতি দূর করতে খাওয়া যেতে পারে শিমের বিচি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন প্লাটিন ও খনিজ পদার্থ এবং ফাইভারে ভরপুর যা শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি দূর করতে সাহায্য করে।

আমিষের ঘাটতি পূরণ করেঃ শিমের বিচিতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে প্রোটিন যা শরীরের কোষ তৈরি করতে এবং মেরামত করতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে।

হাড়ের ক্ষয় রোধ করেঃ শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস পাওয়া যায়। তাই এটি যদি আপনারা খেতে পারেন তাহলে, হাড় মজবুত করার পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করেঃ শিমের বিচিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধ অনেক বেশি সাহায্য করে।

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ শিমের বিচিতে থাকা কিছু কষ্ট উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

হার্ট সুস্থ রাখেঃ শিমের বিচিতে থাকা পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে ভূমিকা পালন করে।

এনার্জি ও শক্তি বৃদ্ধি করেঃ যদি আপনাদের এনার্জি ও শক্তি বৃদ্ধি করতে চান তাহলে খেতে পারেন শিমের বিচি। এটি শরীরের শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘক্ষণ সময় ধরে পেট ভরে রাখতে সয়না করে। 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ যদি আপনারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে শিমের বিচি খেতে পারেন। কারণ এতে রয়েছে ফাইবার যার রক্তের শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণা রাখতে সাহায্য করে পাশাপাশি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। 

শিমের বিচি খাওয়ার অপকারিতা

শিমের বিচি খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কেও আমাদের জেনে রাখা জরুরী। তাহলে সিমের বিচি থেকে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আমরা সকলেই জানি শিমের বিচি পুষ্টিগুনে ভরপুর এবং এর অনেক বেশি স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। তবে সব খাবারগুলোতে কমবেশি উপকারের পাশাপাশি অপকারিতা ও রয়েছে। 
শিমের বিচি খাওয়ার অপকারিতা
আজকের এই আর্টিকেলে শিমের বিচি খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আসুন কি কি অপকারিতা রয়েছে তা সঠিকভাবে জেনে নিন।  


  • অনেক মানুষ রয়েছে যারা সিম কিংবা শিমের বিচি খেলে অ্যালার্জির সমস্যা হয়ে থাকে। তাই যাদের আগে থেকেই এলার্জির সমস্যা রয়েছে তারা এই সিমের বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এলার্জি লক্ষণ হিসেবে চুলকানি ফুসকুড়ি শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি ত্বকে দেখা দিতে পারে।
  • এছাড়াও অতিরিক্ত পরিমাণে শিমের বিচি খাওয়ার ফলে আপনার বমি বমি ভাব, গ্যাস, পেট ফাঁপা কিংবা পেটের আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • শিমে একটি প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত যৌগ রয়েছে যাকে বলা হয় সাইনোজেনিক গ্লুকোসাইড। যদি আপনারা এই যৌগটি অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করেন তাহলে বিষাক্ত হতে পারে। তবে রান্না করার পর এই যৌগটি অবশ্য ধ্বংস হয়ে যায়। আশা করি শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা সম্পর্কে জানার পাশাপাশি শিমের বিচি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কেও সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন। 

শিম খেলে কি গ্যাস হয় 

শিম খেলে কি গ্যাস হয়? শিম আমাদের খাদ্য তালিকার একটি পরিচিত ও পুষ্টিকর উপাদান। এটি প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেলে ভরপুর একটি খাদ্য যা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়। তবে, অনেকেই শিম খাওয়ার পর পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যার সম্মুখীন হন। এ কারণে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, শিম খেলে কি গ্যাস হয়? এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আজকের এই আর্টিকেলের অংশটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। 
শিমের মধ্যে একধরনের প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা আমাদের পাচনতন্ত্রে সহজে হজম হয় না। এই চিনি পাকস্থলীতে না হজম হয়ে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা গ্যাসে পরিণত হয়। এর ফলে অনেকের পেটে অস্বস্তি, ফাঁপা ভাব বা অতিরিক্ত গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে, এই সমস্যা সবার ক্ষেত্রে হয় না এবং শিম খাওয়ার পর গ্যাসের মাত্রা ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন হতে পারে।

তবে, শিমের পুষ্টিগুণ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, সামান্য কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করে গ্যাসের সমস্যা কমানো সম্ভব। শিম সঠিকভাবে রান্না করা, ভিজিয়ে রেখে অতিরিক্ত পানি ফেলে দেওয়া এবং ধীরে ধীরে খাবারের তালিকায় শিম যোগ করার মাধ্যমে এ সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

শেষ কথা | শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা

আজকের এই ব্লগ থেকে আশা করি আপনারা সকলেই শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা এবং শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে এই বিষয়গুলো বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আপনারা যারা এই বিষয়গুলো জেনে উপকৃত হয়েছেন, তাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ এই আর্টিকেলটি অন্যদের মাঝে শেয়ার করুন। এছাড়াও এই আর্টিকেলে আপনাদের নিজের মতামত টুকু জানিয়ে রাখুন। আপনারা যারা এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে করেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url