সেগুন গাছের চারার দাম কত

সেগুন গাছের চারার দাম কত? যদি আপনারা না জেনে থাকেন তাহলে এই আর্টিকেল থেকে জেনে নিতে পারেন। সবকিছু বিষয়ে সঠিকভাবে জেনে যাবেন। তাই আর দেরি না করে আসুন জেনে নেওয়া যাক।
সেগুন গাছের চারার দাম কত
আপনাদের মধ্যে যারা সেগুন গাছের উপকারিতা সম্পর্কে জানেন না তারা অবশ্যই এই আর্টিকেলে থেকে জেনে নিবেন। সেগুন গাছের কাঠ আমাদের কি কি উপকার করে সে সম্পর্কে জানতে ও আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে নিতে পারেন।
পেজ সূচিপএ

সেগুন গাছের চারার দাম কত

সেগুন গাছের চারার দাম কত? অনেকে রয়েছে যারা সেগুন গাছের চারার দাম সম্পর্কে জানতে চান। ২০২৪ সালে সেগুন গাছের চারার দান বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বিভিন্ন উচ্ছের উপর ভিত্তি করে দাম হয়ে থাকে। মূলত চাহিদা ও সরবরাহ ভারসাম্য এবং বিভিন্ন নার্সারীর অবস্থান এবং যারা উৎপাদনের খরচ ও অর্থনৈতিক বাজারের দামের উপর ভিত্তি করে ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে। 

বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন এলাকায় এই সেগুন গাছের চারা ৪০ টাকা থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। তবে কিছু কিছু নার্সারি রয়েছে এবং উন্নত মানে চারা রয়েছে যেগুলোর দাম আরো অনেক বেশি হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ যদি আপনি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সেগুন গাছের চারা নিজে চান তাহলে সেগুলোর দাম আপনার ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। 

আর অন্যদিকে ভারতের মহারাষ্ট্রের কিছু উন্নতমানের সেগুন গাছের চারা রয়েছে যেগুলোর দাম মূলত ২০০ টাকাও হয়ে থাকে। তাহলে বুঝতেই পারছেন ২০২৫ সালে সেগুন গাছের চারার দাম কত টাকা হতে পারে।

সেগুন গাছের উপকারিতা

সেগুন গাছের উপকারিতা অনেক বেশি রয়েছে যদি আপনারা সেগুন গাছের কি কি উপকারিতা রয়েছে না জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেলের অংশটুকু থেকে জেনে নিতে পারেন। বিশেষ করে সেগুন গাছের কাঠের গুণাবলী ছাড়াও আরো বিভিন্ন অংশে ঔষধি ও পরিবেশগত উপকারিতা রয়েছে। তাই আসুন আজ দেরি না করে সেগুন গাছের কিছু প্রধান উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন।

অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণঃ বাংলাদেশের কার্ড শিল্পে সেগুন গাছের কাঠের বিশাল গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে সেগুন গাছের বাজার মূল্য অনেক বেশি থাকে। বিশেষ করে এই ঘনফুট সেগুন কাঠের দাম মূলত ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে এটি বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা হয়ে থাকে। এই সেগুন গাছের কাঠের উল্লেখযোগ্য যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে রয়েছে সেটি দেশের অর্থনীতির অবদান ধরে রাখতে সাহায্য করে।

কাঠের গুণাবলী ও ব্যবহারঃ সেগুন গাছের সবচেয়ে বড় উপকারিতা হচ্ছে এই গাছটির কাঠ অত্যন্ত শক্তিশালী এবং টেকসই। এই সেগুন গাছের কাঠ অনেক বেশি জল প্রতিরোধই এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। শুধু তাই নয় এ কারণে বিভিন্ন ধরনের নৌকা আসবাবপত্র সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কাঠের কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়।  
এই সেগুন গাছের সবচেয়ে ভালো যে বিষয়টি রয়েছে সেটি হল এটি বৃষ্টির পানিতে কিংবা নোনা জলে কখনো ক্ষতি হয় না এবং নৌকা ও জাহাজ নির্মাণের জন্য এই সেগুন গাছের কাঠ অত্যন্ত উপযোগী বলে ধরা যায়। এছাড়াও ঘরের ফার্নিচার থেকে শুরু করে জানলার দরজা সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কাঠের আসবাবপত্র তৈরি করার জন্য সেগুন গাছের কাঠের ব্যবহার খুবই জনপ্রিয়। তাই অনেকেই সেগুন গাছের কাঠ ব্যবহার করে বিভিন্ন ঘরের জিনিসপত্র তৈরি করেন।

ঔষধি গুণাবলীঃ সেগুন গাছের যে পাতাগুলো রয়েছে এবং শিকড় ও বাকলগুলো রয়েছে সেগুলো মহা ঔষধি হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমান সময়েও এটি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। এই সেগুন গাছের পাতার রস যদি আপনি খেতে পারেন তাহলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। শুধু তাই নয় এই সেগুন গাছের শিকড় এবং বাকল যদি আপনি খেতে পারেন তাহলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করবে।

পরিবেশগত উপকারিতাঃ সেগুন গাছ শুধু যে কাঠের জন্য বিখ্যাত তা নয় এটি পরিবেশ রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে এই সেগুন গাছটি প্রাকৃতিক বনাঞ্চলে মাটি ধরে রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। শুধু তাই নয় পাশাপাশি মাটির উর্বরতা বজায় রাখতেও বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। 

অনেক মানুষ রয়েছে যারা বনাঞ্চলের মাটিগুলো ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করেন কিন্তু এই গাছটি যদি আপনি সেই মাটির ধারগুলোতে লাগিয়ে রাখতে পারেন তাহলে অবশ্যই অনেক বেশি কার্যকর হবে। এছাড়াও এই সেগুন গাছের বড় পাতাগুলো মাটিতে পতিত হয়ে পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে যা অন্য উদ্ভিদের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এছাড়াও সেগুন গাছে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে ফলে পরিবেশ শীতল থাকে। 

তাই আপনারা যারা এই সেগুন গাছের উপকারিতা সম্পর্কে আগে জানতেন না আশা করি এই আর্টিকেলের অংশটুকু উপরে এই গাছটি সম্পর্কে জেনে উপকৃত হয়েছেন। আশা করি ২০২৫ সালে সেগুন গাছের চারার দাম কত টাকা এ সম্পর্কে বিস্তারিত উপরে জানার পাশাপাশি সেগুন গাছের উপকারিতা সম্পর্কেও সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।

সেগুন গাছের বৈশিষ্ট্য

সেগুন গাছের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। সেগুন গাছ (Tectona grandis) পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান বৃক্ষ। এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। সেগুন গাছের কাঠ তার মজবুত গুণ, দীর্ঘস্থায়িত্ব এবং জল-প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। এটি প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষত বাংলাদেশ, ভারত, এবং মিয়ানমার অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। বাংলাদেশের বনাঞ্চলে সেগুন গাছের বিশেষ প্রাধান্য রয়েছে।

এটি একটি চিরসবুজ ও মাঝারি উচ্চতার বৃক্ষ, যার গড় উচ্চতা ৩০ থেকে ৪০ মিটার পর্যন্ত হয়। সেগুন গাছের পাতাগুলো বড় এবং সবুজ, যা পরিবেশে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও, সেগুন গাছের কাঠ দামী আসবাবপত্র, নৌকা নির্মাণ এবং বিলাসবহুল বাড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

সেগুন গাছের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এর টেকসই কাঠ, যা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারেও মজবুত থাকে। এটি পানির সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, যা কাঠের পণ্য তৈরিতে একে বিশেষভাবে উপযোগী করে তুলেছে। এছাড়া সেগুন কাঠের রং ও স্বতন্ত্র ঘ্রাণ এটিকে অন্যান্য কাঠের তুলনায় আরো আকর্ষণীয় করে তোলে।
পরিবেশগত দিক থেকে সেগুন গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি মাটির ক্ষয়রোধ করে এবং বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক। সেগুনের পাতা পচে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে, যা কৃষিক্ষেত্রে উপকারী। তবে সেগুন চাষে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং এর জন্য সুনির্দিষ্ট মাটি ও আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়। তবুও, সঠিক ব্যবস্থাপনায় সেগুন চাষে লাভবান হওয়া সম্ভব। তাই সেগুন চাষ এবং সংরক্ষণে সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।

সেগুন কাঠ কত প্রকার

সেগুন কাঠ কত প্রকার সে সম্পর্কে আপনার যদি জানা না থাকে তাহলে আমাদের আর্টিকেলের এই অংশ থেকে জেনে নিতে পারেন। সেগুন কাঠ আমাদের বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও মূল্যবান কাঠ হিসেবে পরিচিত। 

এর গুণগত মান, স্থায়িত্ব এবং সৌন্দর্যের জন্য সেগুন কাঠের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ঘরবাড়ি নির্মাণ করা সহ আসবাবপত্র তৈরি করা এবং এই সেগুন গাছের বিভিন্ন কাঠের কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সেগুন গাছের কাঠ মূলত বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার এবং থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে উৎপাদন হয়।

সেগুন কাঠ প্রধানত শক্ত, টেকসই, এবং পানি প্রতিরোধী হওয়ার জন্য অনেক বেশি জনপ্রিয়। এটি বিভিন্ন প্রকৃতির হতে পারে, এবং সেই অনুযায়ী এর গুণাগুণ ও ব্যবহার ভিন্ন হয়। সেগুন কাঠ প্রধানত দুই ধরনের হতে পারে ১) দেশি সেগুন কাঠ এবং ২) বার্মিজ সেগুন কাঠ। দেশি সেগুন কাঠ সাধারণত বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় এবং এটি মূলত মাঝারি মানের। 

অন্যদিকে, বার্মিজ সেগুন কাঠ আরও বেশি মজবুত ও উচ্চমানের বলে বিবেচিত। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে সেগুন কাছের কাঠ দিয়ে আসবাবপত্র, নৌকা নির্মাণ, এবং বিলাসবহুল কাঠের মেঝের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া, এর প্রাকৃতিক তেল এবং ফিনিশিংয়ের কারণে এটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার করার জন্য উপযোগী। সেগুন কাঠের চাহিদা ও প্রকারভেদ সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে কাঠ নির্বাচন সহজ হয়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

সেগুন গাছের ফুল

সেগুন গাছের ফুল হয়তো অনেকেই কখনো দেখেননি। প্রিয় বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলেই সেগুন গাছের বিভিন্ন উপকারিতার দিকগুলো এবং এর চারার দাম কত তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। অনেকেই সেগুন গাছের ফুল সম্পর্কে জানেন না। যেহেতু আপনারা জানেন না সেহেতু অবশ্যই এই আর্টিকেল এর অংশটুকু থেকে জেনে নিবেন।

সেগুন গাছের ফুল আকারে অনেকটা ছোট এবং এই সেগুন গাছের পাতার রং সাদা হয়ে থাকে এবং এর সুগন্ধিযুক্ত ও এর পাতা আকারে অনেকটা বড় এবং পিছনের দিকে ছোট ছোট আঁশ থাকে। তথ্যসূত্রঃ https://bn.wikipedia.org/

সেগুন গাছ কত দিনে বড় হয়

সেগুন গাছ কত দিনে বড় হয়? সেগুন গাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও পর্যাপ্ত কাঠ উৎপাদনের জন্য এটি অনেকেই সঠিকভাবে পরিচর্যা এবং পুষ্টির জন্য প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে এই সেগুন গাছ সম্পূর্ণভাবে বড় হতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর সময় নেয়। তবে যদি আপনারা সঠিকভাবে এই গাছটি পরিচর্যা করতে পারেন তাহলে আশা করা যায় ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এই সেগুন গাছ কাঠের জন্য প্রস্তুত হয় ওঠে। 

তবে দ্রুত বৃদ্ধি করার জন্য আপনাকে অবশ্যই উপযুক্ত মাটি ও জমি গুলোতে সেগুন গাছ বৃদ্ধি ও পরিচর্যা করতে হবে। কারণ এই উপযুক্ত মাটিগুলোতে সেগুন গাছ বৃদ্ধ হতে অনেক বেশি সময় লাগে না। বিশেষ করে উষ্ণ ও আদ্র আর্দ্র আবহাওয়া সেগুন গাছের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। এছাড়াও জমিতে ভালোভাবে পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করলেও সেগুন গাছ দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 
সেগুন গাছ কত দিনে বড় হয়
তাই আপনারা যারা সেগুন গাছ বৃদ্ধি করতে চান কিংবা সেগুন গাছের কাঠ দিয়ে বিভিন্ন আসবাবপত্র বা নিত্যনতুন কাঠের জিনিসপত্র তৈরি করতে চান তাহলে আপনার বাড়ির আশেপাশে এই গাছটি লাগিয়ে উপরে উল্লেখিত বিষয় অনুযায়ী সঠিক পরিচর্যা করলে আশা করা যায় কয়েক বছরে আপনার সেগুন গাছের কাঠ পাওয়া সম্ভব।

সেগুন গাছের অপকারিতা

সেগুন গাছের অপকারিতা ও রয়েছে উপকারের পাশাপাশি। সেগুন গাছ তার উচ্চ মানের কাঠের জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। এ গাছ কাঠের মজবুত গুণ, দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্ব এবং জলরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য ব্যাপকভাবে চাহিদাসম্পন্ন। 

তবে, সেগুন গাছের যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে, তেমনই কিছু অপকারিতাও রয়েছে যা পরিবেশ, মাটি এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে আমরা সেগুন গাছের অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, যা আপনাকে এই গাছ সম্পর্কে আরো সচেতন হতে সাহায্য করবে।

সেগুন গাছের পরিবেশগত প্রভাবঃ সেগুন গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ঘন ছায়া প্রদান করে। তবে, এই গাছের ঘন ছায়া মাটির নিচে থাকা অন্যান্য উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। সেগুন গাছের পাতা থেকে নির্গত রাসায়নিক উপাদান অন্যান্য উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত করে। যা একটি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য হ্রাস করতে পারে। ফলে, সেগুন গাছ লাগানো এলাকায় অন্যান্য গাছপালা ও উদ্ভিদের প্রজাতি টিকে থাকতে পারে না।

মাটির গুণগত মানের ওপর প্রভাবঃ সেগুন গাছের পাতা ও শেকড় মাটির পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে। সেগুন পাতার পচন ধীরগতিতে হয় এবং এতে থাকা ট্যানিন মাটির অম্লতা বৃদ্ধি করে। এর ফলে মাটির স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়, যা কৃষিকাজ বা অন্যান্য উদ্ভিদ রোপণের জন্য অনুকূল নয়। দীর্ঘ সময় ধরে সেগুন গাছের আধিক্য থাকলে মাটির উর্বরতা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে।

জীববৈচিত্র্যে নেতিবাচক প্রভাবঃ সেগুন গাছের ঘন বনাঞ্চল স্থানীয় পাখি, পোকামাকড় এবং ছোট প্রাণীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। এই গাছের পাতা ও কাঠে থাকা তেল এবং ট্যানিন কিছু কীটপতঙ্গকে দূরে রাখে, যা খাদ্যশৃঙ্খলে প্রভাব ফেলে।
সেগুন গাছের অপকারিতা
পানির ওপর প্রভাবঃ সেগুন গাছের গভীর শিকড় মাটির নিচের পানি শোষণ করে নেয়, যা স্থানীয় জলস্তরের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এই কারণে সেগুন গাছের বেশি পরিমাণে রোপণ করলে স্থানীয় এলাকার পানির অভাব দেখা দিতে পারে। বিশেষত শুষ্ক অঞ্চলে, এই গাছ লাগানো থেকে বিরত থাকা উচিত।

শেষ কথাঃ সেগুন গাছের চারার দাম কত?

প্রিয় পাঠক আশা করি আপনারা ইতিমধ্যে সম্পন্ন আর্টিকেলটি পড়ে সেগুন গাছের চারার দাম কত? এবং সেগুন গাছের উপকারিতা সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আপনারা সেগুন সেগুন গাছের বৈশিষ্ট্য, সেগুন কাঠ কত প্রকার, সেগুন গাছের ফুল, সেগুন গাছ কত দিনে বড় হয়, সেগুন গাছের অপকারিতা, সকল বিষয়ে আশা করি সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।
যারা এই আর্টিকেলটি পড়ে একটু উপকৃত হয়েছেন তারা অবশ্যই এই আর্টিকেলে আপনার মূল্যবান মতামত টুকু জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url