লেটুস পাতার ১৫টি উপকারিতা ও ব্যবহার

লেটুস পাতার উপকারিতা ও ব্যবহার সম্পর্কে আপনি কি জানতে চাচ্ছেন? যদি আপনার এ বিষয়টি সম্পর্কে অজানা থাকে তাহলে আজকের এই আর্টিকেল থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারেন। 
লেটুস পাতার উপকারিতা
যদি আপনারা একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আর্টিকেলটি পড়তে পারেন তাহলে লেটুস পাতার অপকারিতা জানার পাশাপাশি লেটুস পাতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে যাবেন। তাই বিস্তারিত জানতে আর্টিকেলটি পড়া শুরু করুন।
পেজ সূচিপএ

লেটুস পাতার উপকারিতা ও ব্যবহার

লেটুস পাতার উপকারিতা ও ব্যবহার সম্পর্কে এখন আমরা আপনাদের বিস্তারিত জানাবো। লেটুস পাতা খুবই উপকারী একটি সবজি। কখনো কখনো এই লেটুস সালাত করে খাওয়া হয় আবার কখনো কখনো বার্গারের সাথেও অনেকে খেয়ে থাকেন। কেউ কেউ আবার রান্না করেও খেটে পছন্দ করেন। 

কিন্তু এই লেটুস পাতার উপকারিতা কতটুকু রয়েছে আপনি কি জানেন? এই পাতাটিতে রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। শুধু স্বাস্থ্য উপকারিতা নয় এটি আপনার নানা ধরনের চিকিৎসায় এবং রূপচর্চাতেও অনেক বেশি কার্যকর। তাহলে চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাকলেটুস পাতার ১৫ টি উপকারিতা ও ব্যবহার সম্পর্কে।

  • যে সকল ব্যক্তিদের কিডনির সমস্যার জন্য প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় তারা যদি লেটুসপাতা খেতে পারেন তাহলে ভীষণ উপকার পাবেন। কারণ এই পাতাতে রয়েছে সোডিয়াম ভিটামিন বি-১, ভিটামিন বি ২, ভিটামিন বি-৩ যা আপনার শরীরের কোন অঙ্গে পানি জমা করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। তাই আপনারা চাইলে এই পাতাটি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারেন।
  • আসক্ত খাবার আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে লেটুস হলো একটি আঁশযুক্ত সবজি এতে অনেক কম পরিমাণে কোলেস্টরেল রয়েছে এবং এটি আপনার হৃদযন্ত্রের জন্য অনেক উপকারী।
  • লেটুস পাতাতে রয়েছে ৯৫.৫ গ্রাম পানি। আর এই পানি আপনার শরীরের রক্তের লোহিত কণিকা অনুচক্রিকা শ্বেতকণিকা এবং আরো অন্যান্য উপাদানগুলো রয়েছে সেগুলো সুস্থ সবল রাখতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই লেটুসে পানির পরিমাণ অনেক বেশি থাকার কারণে মোটা ব্যক্তিদের ওজন ও চর্বি কমাতেও সাহায্য করে।
  • আপনি যদি বিস্ময় বোধ বোধ করেন তাহলে লেটুস খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে যা আপনার এই ধরনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে।
  • যদি আপনার ত্বকে কোথাও কেটে কিংবা ছিঁড়ে যায় তাহলে এই লেটুস পাতা থেঁতো করে ব্যথার স্থানে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখলে আপনার ব্যথা থেকেও উপশম পাওয়া যায়।
  • যে সকল গর্ভবতী মায়েরা রয়েছে তারা যদি লেটুসপাতা খায় তাহলে মা ও শিশু উভয়ের শরীরের রক্তের মাত্রা বৃদ্ধি হয়।
  • যদি আপনার চোখে কোনরকম ইনফেকশন হয় যেমন চোখ ওঠা। তাহলে আপনি লেটুস পাতা এক অথবা দুই লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম দিয়ে পাঁচ থেকে সাত মিনিট পর্যন্ত ফুটে নিবেন এরপর সেই পানি দিয়ে ভালোভাবে চোখ ধুলে আপনার চোখ ওঠা দ্রুত ভালো হয়ে যাবে।
  • লেটুস পাতা আপনার রক্তের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে রক্তের পটাশিয়ামের মাত্রা অত্যাধিক মাত্রায় কমে গেলে অনেক মানুষের হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে। তবে এই সম্ভাবনা দূর করতে লেটুস পাতা খেতে পারেন কারণ লেটুস পাতাতে যথেষ্ট পরিমাণে পটাশিয়াম পাওয়া যায় তাই এ সমস্যা থেকে ফিরে নিয়ে আসতে সাহায্য করে।
  • যদি আপনি দীর্ঘ সময় ধরে রোদে থাকেন তাহলে আপনার ত্বক কালচে পড়া ভাব দেখা দিতে পারে। তবে এ ধরনের সমস্যা এড়াতে লেটুস পাতা থেঁতো করে ত্বকে ব্যবহার করলে অনেকটা কালচে ভাব দূর হয়ে যায়।
  • যদি আপনার মাথায় কোন খুশকি থাকে তাহলে এটির বিরুদ্ধে লড়াই করতে লেটুস পাতা অত্যন্ত কার্যকর। তাই আপনি চাইলে মাথার খুশকি দূর করতে লেটুস পাতা ব্যবহার করতে পারেন। অনেক শ্যাম্পু রয়েছে যেগুলোতে লেটুস পাতার গুড়া ব্যবহার করা হয়। চাইলে সেগুলো ব্যবহার করতে।
  • ভিটামিন বি এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে তবে আমরা অনেকেই জানি বিভিন্ন খাবার থেকে আমরা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন বি পেয়ে থাকি কিন্তু লেটুসে কয়েক ধরনের ভিটামিন বি থাকে তাই আপনারা লেটুস খেলে অনেক উপকার পাবেন।
  • লেটুসে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেক কম রয়েছে তারপরেও যদি আপনি প্রতিনিয়ত লেটুস খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার হাড় এবং দাঁতের গঠনে যতটুক ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন ঠিক ততটুকু ক্যালসিয়াম পূর্ণ খাবারের সঙ্গে লেটুস মিশ্রণ করে খেলে অনেক উপকার পাবেন।
  • আপনারা যারা নিয়মিত লেটুসপাতা খেতে পারবেন তাদের গ্যাস হওয়া এসিডিটি ক্ষুধা না লাগা পেট ভারী হয়ে থাকা সহ যাবতীয় সমস্যা দূর করতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। শুধু তাই নয় ত্বকের বলিরেখাও দূর করতে সহায়তা করবে।
  • সব ধরনের সবুজ পাতাতে কিছু না কিছু আয়রন থাকবেই। নারীদের ঋতু চলাকালে যে রক্ত বের হয়ে যায় সে সময় অনেক আয়রনের প্রয়োজন হয়। গর্ভাবস্থার সময়ও আয়রনের প্রয়োজন পড়ে তাই আপনি যদি আয়রনযুক্ত খাবার খাওয়ার পাশাপাশি লেটুস খেতে পারেন তাহলে আরেকটু আয়রন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
  • লেটুসে প্রোটিনের পরিমাণ খুব অল্প পরিমাণে থাকলেও যদি আপনি প্রতিদিন লেটুস খেতে পারেন তাহলে আপনার দেহের পেশী গঠনে সাহায্য করবে। আশা করি লেটুস পাতার ১৫টি উপকারিতা ও ব্যবহার কি কি রয়েছে তা সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।

লেটুস পাতার অপকারিতা

লেটুস পাতার অপকারিতা সম্পর্কেও আমাদের ভালোভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন। প্রত্যেকটা জিনিসের যেমন উপকারিতা এবং অপকারিতা রয়েছে ঠিক তেমনি লেটুস পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে। 

আপনাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না লেটুস পাতা আপনার শরীরের জন্য কি কি সমস্যা তৈরি করতে পারে। যেহেতু আপনারা জানেন না সেহেতু এই আর্টিকেলের অংশটুকু থেকে লেটুস পাতার অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।

বমি বমি ভাব হতে পারেঃ আপনারা যদি অতিরিক্ত মাত্রায় লেটুস পাতা খান তাহলে বমি বমি ভাব হতে পারে।

হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারেঃ অনেক সময় দেখা যায় কাঁচা লেটুস পাতা খাওয়ার ফলে আপনার হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও অত্যাধিক মাত্রায় লেটুসপাতা খেলে আপনার হজমের সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি শরীরে খারাপ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এলার্জির সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারেঃ অনেকের লেটুস পাতা খাওয়ার ফলে এলার্জির সমস্যা বেড়ে যায়। তাই যাদের আগে থেকে এলার্জি রয়েছে তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তারপর লেটুস পাতা খেতে পারেন।

পেট খারাপ হতে পারেঃ যদি আপনি অতিরিক্ত পরিমাণে লেটুস পাতা খান তাহলে আপনার পেটের সমস্যা কিংবা পেট খারাপ দেখা দিতে পারে। তাই অত্যাধিক মাত্রায় না খেয়ে পরিমাণমতো খাওয়া উচিত

মাথা ব্যথা হতে পারেঃ যদি আপনি প্রয়োজনের চেয়ে অত্যাধিক মাত্রায় লেটুস পাতা খান তাহলে আপনার মাথা ঘোরা কিংবা মাথা ব্যাথা সমস্যা দেখা দিতে পারে। আশা করি লেটুস পাতার উপকারিতা ও ব্যবহার সম্পর্কে জানার পাশাপাশি লেটুস পাতার অপকারিতা সম্পর্কেও সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।

লেটুস পাতার বীজ কোথায় পাবো

লেটুস পাতার বীজ কোথায় পাব সে সম্পর্কে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন। লেটুস পাতা স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। এটি সালাদ, স্যান্ডউইচ এবং অন্যান্য খাবারে ব্যবহৃত হয়। নিজের বাড়িতে কিংবা জমিতে তাজা লেটুস চাষ করতে চাইলে প্রথমেই প্রয়োজন উচ্চমানের লেটুস বীজ কিনে নিয়ে আসতে হবে। এখন প্রশ্ন হল লেটুস পাতার বীজ কোথায় পাবো?
লেটুস পাতার বীজ কোথায় পাবো
দেখুন, বাজারে লেটুস বীজ সহজেই পাওয়া যায়, বিশেষত অনলাইন স্টোর এবং স্থানীয় নার্সারিগুলোতে। এছাড়াও আপনি বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেমন আমাজন, দারাজ, অথবা স্থানীয় ই-কমার্স সাইটে বিভিন্ন প্রকার লেটুস বীজ পেতে পারেন। স্থানীয় কৃষি সরঞ্জাম দোকানেও এগুলো কিনতে পারবেন।

লেটুস পাতার দাম

লেটুস পাতার দাম বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে সাধারণত রাজধানীর কাঁচা বাজার কাঁচা বাজারগুলোতে প্রতি ১০০ গ্রাম লেটুস পাতার দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
তবে বাজারের ভিন্নতার কারণে এবং সরবরাহের ভিন্নতার কারণে লেটুস পাতার দাম অনেকটা উঠানামা করে থাকে। তবে আপনি সাধারণভাবে লেডিসপাতা নিলে উপরে উল্লেখিত দামে আশা করি পেয়ে যাবেন। আমার জানা মতে লেটুস পাতার দাম এর চেয়ে বেশি সাধারণত হয় না। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

লেটুস পাতা চাষ পদ্ধতি

লেটুস পাতা চাষ পদ্ধতি এখন অনেক উন্নত হয়েছে। লেটুস যার বৈজ্ঞানিক নাম হল (Lactuca sativa)। এটি মূলত একটি সহজ সাজযোগ্য পুষ্টিকর সবজি যা আপনারা চাইলে চাষ করে বিক্রয় এবং খেতে পারবেন। লেটুসের বিভিন্ন রকমের জাত রয়েছে যেমনঃ বিগ বোস্টন, ডার্ক, গ্রিন, গ্রেটলেক, নিউইয়র্ক-৫১৫, ইম্পিরিয়াল-৫৪, হোয়াইট বোস্টন, প্যারিস হোয়াইট, সিম্পসন, কিং ক্রাউন, কুইন ক্রাউন ইত্যাদি। 

মূলত এটি ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে অগ্রহায়নের মাঝামাঝি অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত আপনারা ২০ থেকে চারা তৈরি করে তবে লাগাতে পারবেন। এই লেটুস লাগানোর নিয়ম হলো ১২ ইঞ্চি দূরত্ব এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব হবে ৮ ইঞ্চি। এটি চাষ করার জন্য যে ধরনের সার প্রয়োগ করা উচিত সেগুলো হল ৮০০ গ্রাম খৈল, ২০ কেজি গোবর, ১০০ গ্রাম টিএসপি, ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া। 

মূলত এগুলো দিয়েই আপনারা লেটুস চাষ করতে পারেন। তবে এগুলোর মধ্যে গোবর চাষের প্রথম দিকে এবং শেষের চাষের দিকে টিএসপি এবং পটাশার মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশ্রণ করে দিতে হবে। তবে ইউরিয়াকে সমানভাবে দুই ভাগে ভাগ করে দু’কিস্তিতে উপরিপ্রয়োগ করে মাটির সঙ্গে মিশ্রণ করে দিতে হবে। তবে যে চারার বয়সগুলো ১০ থেকে ২০ দিন মূলত সেই চারাগুলোর প্রয়োগ পদ্ধতি আলোচনা রয়েছে।

সেবা ও পরিচর্যাঃ লেটুস পাতার গাছ লাগানোর পর আপনাকে নিয়মিত লেটুস পাতা গাছের যত্ন নিতে হবে। একটু খেয়াল করে দেখবেন চারা লাগানোর পর ছোট পাখিরা যেন ঠোঁকড়ে ঠোঁকড়ে সেই পাতাগুলো খেয়ে না ফেলতে পারে। সেজন্য কিছু ব্যবস্থা নিতে পারবেন যেমনঃ

  • পাতলা যে পলিথিন বাজারে পাওয়া যায় সেগুলো কিনে নিয়ে এসে ছোট ছোট ছিদ্র করে ভালোভাবে গাছটি ঢেকে রাখতে হবে।
  • এরপর যে সকল লেটুসপাতা শুকিয়ে গেছে সেগুলো তুলে ফেলে দিতে হবে।
  • এরপর জমি থেকে লেটুসপাতার ভালো ফলন নিতে চাইলে জমিতে সব সময় আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।
  • এরপর বড় গাছ হলে মাঝে মাঝে গাছের গোড়ায় মাটি চেপে দিয়ে রেখে দিতে হবে।
  • যদি লেটুস পাতার গাছ অনেক বেশি ঘন হয়ে যায় তাহলে পাতলা করে দিতে হবে।
  • যদি আপনারা ওপরে দেওয়া বিষয়গুলো ভালোভাবে জেনে সঠিক পরিচর্যা করতে পারেন তাহলে আশা করা যায় আপনি ভালো ফলন পাবেন।

লেটুস পাতা রেসিপি

লেটুস পাতা রেসিপি সম্পর্কে অনেকেরই অজানা রয়েছে। লেটুস পাতা একটি জনপ্রিয় সবজি, যা স্বাস্থ্যকর এবং হালকা খাবারের জন্য আদর্শ। সালাদ, স্যান্ডউইচ, এবং অন্যান্য রেসিপিতে লেটুস পাতা ব্যবহৃত হয়, যা খাবারের পুষ্টি বাড়িয়ে তোলে। লেটুস পাতা রেসিপি খেতে যেমনটা সুস্বাদু ঠিক তেমনি পুষ্টিকরও। এই লেটুস পাতা আপনি বিভিন্ন ভাবে রেসিপি তৈরি করে খেতে পারবেন। 

যেমন লেটুস সালাদ- আপনি চাইলে লেটুস পাতা শসার টমেটো গাজর লেবুর রস এবং তেল ও লবণ মিশ্রণ করে একটি রেসিপি তৈরি করে খেতে পারেন। এছাড়াও লেটুস পাতা, রসুন, আদা, মুরগির স্টক, লবণ এবং মসলা যোগ করে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে একটি রেসিপি তৈরি করে খেতে পারেন।

লেটুস পাতা কিভাবে খায়

লেটুস পাতা কিভাবে খায় এমন প্রশ্ন অনেকেই করে থাকেন। লেটুস পাতা খাওয়ার তেমন কোন নিয়ম-কানুন নেই আপনার ইচ্ছামত যেভাবে ইচ্ছা লেটুসপাতা খেতে পারবেন। লেটুস পাতা সবুজ জাতীয় সবজি তাই এটি রান্না করে কিংবা কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায়। 

এই লেটুস পাতার বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে বিধায় এটা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তবে, লেটুস পাতা কিভাবে খায়, যদি আপনাদের জানা না থাকে তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। আশা করি এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা সঠিকভাবে জেনে নিতে পারবেন।

সালাদ হিসেবেঃ লেটুস পাতা আপনি সালাদ হিসেবে খেতে পারেন। অধিকাংশ মানুষ রয়েছে যারা লেটুসপাতা সালাদ করে খেয়ে থাকে। শুধু তাই নয় বড় বড় রেস্টুরেন্ট কিংবা হোটেলে লেটুস পাতা সালাদ হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে।
লেটুস পাতা কিভাবে খায়
স্যুপের সাথে মিশ্রিত করেঃ আপনারা চাইলে স্যুপের সাথে মিশ্রিত লেটুস পাতা খেতে পারেন। বর্তমান সময়ে লেটুস পাতার স্যুপ খাওয়াটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

জুসের সাথে মিশ্রিত করেঃ লেটুস পাতা বিভিন্ন রকমের ফলে জুস এর সাথে মিশ্রণ করে আপনারা চাইলে খেতে পারবেন। যেকোন জুসের সঙ্গে যদি আপনি লেটুস পাতা কুচি করে কিংবা ছিড়ে দেন তাহলে খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগবে এবং অনেক পুষ্টিগুণ পাওয়া যাবে।

তরকারি হিসেবেঃ এছাড়াও আপনারা তরকারি হিসেবেও রান্না করে লেটুসপাতা খেতে পারেন। বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ রয়েছে যারা বিভিন্ন তরকারিতে লেটুসপাতা মিশ্রণ করে তরকারি রান্না করে থাকে। যা খেতে খুবই সুস্বাদু হয়।

শেষ কথাঃ লেটুস পাতার উপকারিতা

আশা করি আপনারা ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে লেটুস পাতার উপকারিতা ও ব্যবহার এবং লেটুস পাতার অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। লেটুসপাতা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। যদি আপনারা সঠিক নিয়মে লেটুস পাতা খেতে পারেন তাহলে বিভিন্ন রোগের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করবে। 
তাই আপনারা যারা এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানেন না তারা অবশ্যই উপরে উল্লেখিত বিষয়ে স্বাস্থ্যকর উপকারিতা সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সেখান থেকে সঠিকভাবে জেনে নিতে পারেন। সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url