ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত কত এই সম্পর্কে যদি আপনাদের জানা না থাকে, তাহলে এই আর্টিকেল থেকে জেনে নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহণে শতকরা হার কত
যদি আপনারা সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়তে পারেন তাহলে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার শতকরা কতজন, বাংলাদেশে একজন ডিজিটাল মার্কেটের বেতন কত, ফ্রিল্যান্সিং কি এই সকল বিষয়ে সঠিকভাবে জেনে যাবেন।
পেজ সূচিপএ 

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহণের শতকরা হার কত সে সম্পর্কে আপনার যদি জানা না থাকে তাহলে আমাদের আর্টিকেলের এই অংশ থেকে জেনে নিতে পারেন। আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হল ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত কত এই সম্পর্কে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির দিন দিন যত বেশি উন্নতি হচ্ছে ঠিক তত বেশি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

অনেক মানুষ রয়েছে যারা চাকরি বাদ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর কে বেছে নিচ্ছেন তার একটি কারণ হলো এখানে নিজের স্বাধীনতা দিয়ে কাজ করা সম্ভব। তবে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণের শতকরা হার কত এই প্রশ্ন যদি আপনারা খোঁজেন তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেল এর সাথেই থাকতে হবে। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।

বর্তমানে ডিজিটাল যুগে নারীরা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে উল্লেখযোগ্যভাবে অংশগ্রহণ করছেন। এই সেক্টরে নারী ক্রমাগত দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে যেমন পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ নিজের ইচ্ছামত কাজ করা ইত্যাদি। বর্তমান সমাজে নারী ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক বেশি অগ্রদ্বীকার পাচ্ছে বলে আস্তে আস্তে এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

ফ্রিল্যান্সিং তাদের জন্য ফ্লেক্সিবল একটি কর্মক্ষেত্র তৈরি করছে যা কাজের সময় ও স্থান নির্বাচনের স্বাধীনতা দিয়েছে। মূলত এ কারণেই অনেক নারীরা এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারীরা অনেক বেশি আগ্রহ হওয়ার প্রধান কারণ হলো স্বাধীনতা। পরিবারের সাথে সময় কাটানো সহ নিজের ব্যক্তিগত জীবন যাপন ভালোভাবে কাটাতে অনেক নারীরা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর কে বেছে নেন। 

বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে নারীদের ফ্রিল্যান্সিং এর অংশগ্রহণে প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে এর বৈশ্বিক বাজার বিভিন্ন সেবা প্রদানের সুযোগ পাচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ৬ লাখেরও বেশি ফ্রিল্যান্সার কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে ১১ শতাংশ অর্থাৎ ৭১ হাজার ৫০০ নারী ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ করছেন এবং বাকি সব ছেলে ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করছেন। 

এখানে বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ও ট্রেনিং সেকশনের মাধ্যমে অনেক নারীরা তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে তাদের অবস্থানে শক্তিশালী করে তুলছেন। শুধু তাই নয় ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারীদের উপস্থিতি বৃদ্ধির পেছনে সামাজিক ও সংস্কৃতিক পরিবর্তন একটি বড় ধরনের ভূমিকা পালন করছে।

শুধু তাই নয় ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের পুরুষদের অংশগ্রহণের হার সাধারণত কিছুটা বেশি হলেও নারীদের অংশগ্রহণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস এবং ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে নারীদের উপস্থিতি এতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে যে তার সংখ্যাই প্রায় অনেক গুণ বেড়েছে। ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারীদের আয় পুরুষদের তুলনায় কিছুটা কম হলেও কিন্তু নারীরা তাদের দক্ষতা এবং সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। 

পুরুষরা সাধারণত প্রযুক্তিগত কাজের মাধ্যমে অনেক বেশি টাকা আয় করেন। তবে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ এত বেশি উজ্জ্বল যে নারীরা আরো বেশি ফ্রিল্যান্সিংয়ে অংশগ্রহণ করে তাদের নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারবেন। আশা করি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত কত এই সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।

সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার শতকরা কতজন

সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার শতকরা কতজন সে সম্পর্কে সঠিকভাবে বলা খুব কঠিন। সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সারদের মোট সংখ্যা কত তা নির্ধারণ করা খুবই কঠিন। তবে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং শিল্পে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে বলে অনেক গবেষণায় জানা যায়। আইডিএলসি (IDLC) এর তথ্য অনুসারে বিশ্বে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার শতকরা ১৬ শতাংশ রয়েছে। অর্থাৎ যদি আমরা গড় হিসাব করে তাহলে ১০০ জন মানুষের মধ্যে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ জন মানুষ বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার পৃথিবীর মধ্যে রয়েছে। 

তবে এটি সম্পূর্ণ সঠিক বলে কখনোই বিবেচিত করা যাবে না। কারণ এখানে কম বেশি হতে পারে। তবে বিশ্বের যেগুলো টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার রয়েছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার ৬৪ শতাংশই রয়েছে। এর মধ্যেও কিছু কম বেশি রয়েছে। অন্যান্য দেশগুলো যে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর অবদান অনেক বেশি রয়েছে বলে জানা যায়। বিশেষ করে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট গ্রাফিক্স ডিজাইন ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সারদের। 
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত
তবে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার এগুলোতে দক্ষতা হওয়ার পরেও তারা ইনকাম বেশি করতে পারে না। তার কারণ হলো খুব কম খুবই কম Hour per Rate নিয়ে থাকেন। এছাড়াও অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে স্কেলের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তাই বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা যদি এই দুই সেক্টর অনেক বেশি উন্নতি করতে পারে তাহলে আশা করা যায় বাংলাদেশে আরও বেশি সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। 

পাশাপাশি নারী পুরুষ উভয়ে চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। আশা করি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত এই বিষয়টি জানার পাশাপাশি সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার শতকরা কতজন রয়েছে এই বিষয়টিও সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন। 

ফ্রিল্যান্সিং এর দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান কত

ফ্রিল্যান্সিং এর দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ তম। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ ফ্রিল্যান্সাররা বলেন যে ভবিষ্যতে এর অবস্থান আরো অনেক বেশি উন্নত হবে বলে আশা করা যায়। তাছাড়া আমরা যদি মার্কেট তথ্য অনুযায়ী চিন্তাভাবনা করে দেখি তাহলে দেখা যাচ্ছে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর আরো অনেক বড় অবস্থান ভবিষ্যতে রাখবে বলে মনে করা হয়। 

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার ৬৪ শতাংশ বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সার ফ্রিল্যান্সার হিসেবে রয়েছে। তাই এই ফ্রিল্যান্সিং যাত্রাকে আরও বেশি উন্নত করতে অভিজ্ঞ যারা ফ্রিল্যান্সার রয়েছে তারা আরো বেশি অগ্রগতি করছে এবং বিভিন্ন স্কিল ডেভলপ করছন। যার কারণে অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সাররা বলেছেন যে ভবিষ্যতে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে বাংলাদেশের অবস্থান হিসেবে আরো কাছের দিক অবস্থান করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

ফ্রিল্যান্সিংদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস কোনটি

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিংদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস কোনটি এ বিষয়টি যদি আপনারা না জেনে থাকেন তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনাদের সুবিধার্থেই আজকে আমি এই আর্টিকেলে এই বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। তাই আর দেরি না করে আসুন আপনাদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর জেনে নিন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলি একইভাবে ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যবসার জন্য দুর্দান্ত। এই ফ্রিল্যান্সারদের যোগ্যতা এবং দক্ষতা উপর ভিত্তি করে অনেক ক্লাইন্টেরা বিভিন্ন কাজ দিয়ে থাকেন। তবে ব্যবসার জন্য যতগুলো ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস রয়েছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং করে কমবেশি অনেক মানুষ প্রচুর পরিমাণে অর্থ উপার্জন করে থাকে।

কেউ লোকাল ভাবে মার্কেটিং করে কেউ আবার গ্লোবালভাবে মার্কেটিং করে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন সেক্টর রয়েছে যেগুলোতে কাজ করে আপনি প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে বিভিন্ন সেক্টর রয়েছে যেমন আর্টিকেল রাইটিং। এই ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করে অনেক মানুষ সফল হয়েছেন। 

তারা তাদের কাজের অভিজ্ঞতা দেখিয়ে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করে কাজ নিয়ে তারা সে কাজগুলো সঠিকভাবে জমা দিয়ে প্রচুর টাকা ইনকাম করেন। যদি কোন ক্লায়েন্টের কাছে আপনার কাজ অনেক বেশি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই রেটিং দিবেন এতে করে আপনার কাজের চাহিদাও আরো দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। 

সব মিলিয়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যবসার জন্য একে অপরে খুঁজে পেতে অনেক বেশি সাহায্য করে। পাশাপাশি যে প্রকল্প গুলো রয়েছে সেগুলো সহযোগিতা করে ফ্রিল্যান্সারদের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস করার একটি দুর্দান্ত উপায় হয়ে উঠেছে।

বিশ্বের কত শতাংশ ফ্রিল্যান্সার

বিশ্বের কত শতাংশ ফ্রিল্যান্সার সে সম্পর্কে আমরা আপনাদের একটি সাধারণ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে একটি জনপ্রিয় কর্মসংস্থানের পদ্ধতি হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী কর্মজগতের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং পেশার সঙ্গে যুক্ত।
বিশ্বের কত শতাংশ ফ্রিল্যান্সার
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্রিল্যান্সিং জনপ্রিয়তার বিভিন্ন মাত্রা দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫৭ মিলিয়ন মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করছেন, যা তাদের শ্রমশক্তির এক বিশাল অংশ। অন্যদিকে, ভারত, বাংলাদেশ এবং ফিলিপাইনের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ফ্রিল্যান্সিং বিশেষ করে আইটি ও ডিজিটাল মার্কেটিং ক্ষেত্রে দ্রুত বিকাশ লাভ করছে।

ফ্রিল্যান্সারদের জনপ্রিয় ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে গ্রাফিক ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, প্রোগ্রামিং, এবং সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট উল্লেখযোগ্য। অনেকেই এই পেশাকে পছন্দ করেন, কারণ এই কাজের নিজস্ব স্বাধীনতা আছে। সারা বিশ্বের কর্মসংস্থানের পরিবর্তনের সাথে সাথে, ফ্রিল্যান্সিং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতা হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে, এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

কত সংখ্যক ফ্রিল্যান্সার বাসায় বসে কাজ করে

কত সংখ্যক ফ্রিল্যান্সার বাসায় বসে কাজ করে সে সম্পর্কে যথাযথভাবে জানা না গেলেও আমরা আপনাদের মোটামুটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। আধুনিক যুগে প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে কাজের ধরনও পাল্টে যাচ্ছে। 

এক সময় অফিসে গিয়েই কাজ করতে হতো, এখন ঘরে বসেও কাজ করা সম্ভব। বিশেষ করে ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই বাসায় বসে কাজ করে আয় করছেন। তবে ঠিক কতজন ফ্রিল্যান্সার বাসায় বসে কাজ করে, তার কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। কারণ ফ্রিল্যান্সিং একটি দ্রুত বর্ধনশীল খাত। 

এখানে প্রতিদিন নতুন নতুন ফ্রিল্যান্সার যোগ হচ্ছেন। তবে, একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। এটা একদম সঠিক তা নয়। তবে বিশ্বের অনেক দেশেই লক্ষ লক্ষ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছেন। 

বাসায় বসে থেকে নিজের ইচ্ছামত ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করার জন্যই এই ফ্রিল্যান্সিংকে স্বাধীনতা রূপ দিয়েছেন। কতসংখ্যক ফ্রিল্যান্সার বাসায় বসে কাজ করে সে সম্পর্কে আশা করি আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায়

ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় তার সম্পূর্ণ নির্ভর করে অনেকগুলো বিষয়ের ওপর। যেমন যদি আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এ ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে ১০ হাজার টাকা থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। শুধু তাই নয় আপনি কি ধরনের কাজ করেন আপনি কোন ধরনের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করেন আপনি কতটা সময় ও পরিশ্রম নিতে ইচ্ছুক বাদ দিয়ে থাকেন এগুলোর উপর নির্ভর করে। 

উদাহরণস্বরূপঃ একজন অভিজ্ঞ ফেসবুক মার্কেটিং প্রতি মাসে এক লক্ষ টাকা বা তারও বেশি ইনকাম করতে পারেন। তার কারণ হলো তিনি একজন দক্ষ SEO বিশেষজ্ঞ। তাই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে ভালো টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে অবশ্যই দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি আপনি ফাইবার এ কিংবা আপওয়ার্ক এ ভালোভাবে পোর্টফোলিও তৈরি করতে হবে। 

যাতে করে কোন ক্লাইন্টরা এসে আপনাকে কাজ দিতে ইচ্ছুক হন। মূলত এভাবেই যদি আপনারা কাজ করতে পারেন তাহলে আশা করা যায় আপনারা সকলে ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে প্রতি মাসে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আশা করি ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে কত টাকা আয় করা যায় তা সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।

বাংলাদেশে একজন ডিজিটাল মার্কেটারের বেতন কত

বাংলাদেশে একজন ডিজিটাল মার্কেটারের বেতন কত সে সম্পর্কে জানলে আপনি অবাক হবেন। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং বাংলাদেশে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ছোট উদ্যোগরা এখন ডিজিটাল প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে তাদের পণ্য ও সেবা প্রচারে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

এখন ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে প্রত্যেকটা ব্যবসিকেরা তাদের যেকোনো পণ্য বিক্রি করছেন। ফলে দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটারের দিন দিন চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হল বাংলাদেশে একজন ডিজিটাল মার্কেটারের বেতন কত?

  • ডিজিটাল মার্কেটার এর বেতন সম্পূর্ণ নির্ভর করে তাদের দক্ষতা অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন কাজের পরিধির ওপর। যে সকল ডিজিটাল মার্কেটাররা এক বছরের কম অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের মাসিক বেতন ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
  • আর যে সকল ডিজিটাল মার্কেটাররা ২ থেকে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাদের বেতন কমপক্ষে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা।
  • আর যে সকল ডিজিটাল মার্কেট ম্যানেজার বা স্পেশালিস্টদের তালিকায় থাকেন তাদের বেতন ৫০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা। তবে এই বেতন গুলো সম্পূর্ণ সঠিক তা নয় এখানে কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং কি সে সম্পর্কে অনেকেই জানতে চাই কারণ বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে মানুষ প্রচুর টাকা ইনকাম করছে। ফ্রিল্যান্সিং মূলত এমন একটি পেশা যেখানে আপনি আপনার ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এটি মূলত একটি চাকরির মতোই কিন্তু এর ভিন্নতা হলো স্বাধীন মুক্ত পেশা। আপনি চাইলে এখানে আপনার ইচ্ছামত কাজ করতে পারবেন। যখন আপনার ইচ্ছা করবে তখন আপনি কাজ করতে পারবেন। 

এখানে চাকরির মত কোনরকম ধরা বাধা নেই। এরপরে এখানে কোন আপনার নির্দিষ্ট কোনো ইমপ্লয়ার নেই। যখন যে বাইয়ার আপনাকে কাজ দিবেন তখন আপনি আপনার ইচ্ছামত কাজ করতে পারবেন। আপনি চাইলে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন আবার যে কোন জায়গায় ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। এখানে কোন ধরাবাঁধা নেই। 

যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ভালোভাবে সফল হতে পারেন তাহলে সরকারি বেসরকারি চাকরি করে যে টাকা ইনকাম করে তার থেকেও অনেক বেশি টাকা আপনার দক্ষতা দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন। যদি আপনি সঠিক দক্ষতা যেকোন একটি মার্কেটপ্লেসের ওপর করতে পারেন তাহলে ১০০% অন্যান্য চাকরির তুলনায় দ্বিগুণ/তিনগুণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

শেষ কথা | ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত

সম্মানিত পাঠক আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে আপনারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহনের শতকরা হার কত এই বিষয়ে সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন। এছাড়াও এই আর্টিকেলটি পড়ে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার শতকরা কতজন রয়েছে এই বিষয়টিও আশা করি জানতে পেরেছেন। 

তাই যদি আপনারা এই আর্টিকেলটি পড়ে একটু উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। পাশাপাশি আর্টিকেলটি পড়ে আপনার কোন মতামত জানানো থাকলে কমেন্ট করে সেটা জানিয়ে দিন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url