সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা

সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনি কি জানতে চান? আপনাদের সুবিধার্থে আজকে আমি এই আর্টিকেলে এ বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা
যদি আপনারা সম্পূর্ণ আর্টিকেল একদম মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন তাহলে রান্নায় সরিষার তেলের অপকারিতা, কাচা সরিষার তেল খেলে কি হয়, রান্নায় সরিষার তেলের উপকারিতা, সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে সঠিকভাবেই জেনে যাবেন।
পেজ সূচিপএ

সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা

সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে এখন আমরা বিস্তারিত জানব। সরিষার তেল আদিম কাল থেকেই ওষুধি গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে। সবার পছন্দের এই সরিষার তেল যেমন আমাদের বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করা হয় ঠিক তেমনি আরো অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকারিতা ও রয়েছে। 

আজকে আমি সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। এই সরিষার তেল শরীর এবং ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই আসুন আর দেরি না করে কি কি উপকারিতা রয়েছে জেনে নিন।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়ঃ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সরিষার তেলে উপস্থিত লাইনোলেনিক অ্যাসিড রয়েছে যা আমাদের শরীরের ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একদম কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। ফলে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক মরণব্যাধি শরীরের ধারের কাছেও ঘেষতে পারে না। বিশেষ করে স্টমাক এবং কোলন ক্যানসারকে দূর করতে অনেক বেশি সাহায্য করে সরিষার তেল।

হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমায়ঃ যদি আপনারা নিয়মিত সরিষার তেল খেতে পারেন তাহলে হার্টের তেমন কোনো সমস্যা বা ক্ষতি হয় না। বরং হৃদপিন্ডের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। পাশাপাশি হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও অনেকটা কমাতে সাহায্য করে সরিষার তেল। এছাড়াও কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে অনেক বেশি সাহায্য করে সরিষার তেল এবং ভালো কোলেস্টেরল মাত্রা বৃদ্ধি করে ফলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

শরীরের প্রদাহ কমায়ঃ সরিষার তেলে রয়েছে উপস্থিত এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান যা যেকোনো ধরনের প্রদাহ কমাতে অনেক বেশি সাহায্য করে। শুধু তাই নয় মাথা যন্ত্রণা এবং তলপেটের অস্বস্তিকর ব্যথা কমাতে অনেক বেশি সাহায্য করে সরিষার তেল। পাশাপাশি জ্বর ঠান্ডা কাশি ইত্যাদি কমাতেও সাহায্য করে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়ঃ সরিষার তেলের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি মনোযোগ বৃদ্ধি এবং সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নতি করতেও অনেক বেশি সাহায্য করে সরিষার তেল।

মাইগ্রেনের কষ্ট কমায়ঃ অনেকেরই মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন। তবে এই মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে পারে ম্যাগনেসিয়াম যা আপনারা সরিষার তেলের মধ্যেই পেয়ে যাবেন। তাই আপনারা চেষ্টা করবেন সরিষার তেলের খাবার খাওয়ার তাহলে আশা করি আপনার মাইগ্রেনের কষ্টটা দূর হয়ে যাবে।

ত্বকের যত্নে কার্যকরঃ যদি আপনারা ত্বকের যত্ন নিতে চান তাহলেসরিষার তেল হাতের তালুতে ঘষে মুখে লাগিয়ে নিন। এতে করে আপনার সূর্যের ক্ষতিকারক আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। পাশাপাশি সরিষার তেল এলার্জি ও র‍্যাশ প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করবে। তার কারণ হলো সরিষার তেলে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল ও এন্টি ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর।

ওজন কমায়ঃ অনেকে রয়েছে ওজন কমাতে চান কিন্তু এই ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করেন অনেকেই। তবে আপনি কি জানেন সরিষার তেল আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে? শুনে হয়তো চমকে গেলেও হ্যাঁ এটাই সত্যি। যদি আপনি প্রত্যেকদিন রান্নায় সরিষার তেল খেতে পারেন তাহলে আপনার ওজন আস্তে আস্তে কমতে শুরু করবে। তবে পাশাপাশি শারীরিক ব্যায়াম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হাড়ের ব্যথা থেকে মুক্তিঃ যদি আপনার শরীরে হাড়ের ব্যথা হয় তাহলে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন সরিষার তেল। কারণ সরিষার তেল এবং আদা এ দুটি উপাদানে হাড়ের ব্যথা কমাতে অত্যন্ত উপকারী। তাই আপনার যে কোন সময় হাড়ের ব্যথা দূর করতে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।

সরিষার তেলের অপকারিতা

সবকিছুর যেমন ভালো খারাপ দিক রয়েছে ঠিক তেমনি সরিষার তেলের উপকারিতা এবং অপকারিতা রয়েছে। আশা করি আপনারা সকলেই উপরের অংশটুকু উপরে সরিষার তেলে উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখন আমরা আপনাদের জানিয়ে দেবো সরিষার তেলের অপকারিতা সম্পর্কে, তাই আসুন আর দেরি না করে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।

  • অনেক সময় দেখা যায় সরিষার তেল মেসাজ করার পর কিংবা তবে ব্যবহার করলে ক্ষতি হতে পারে তার কারণ হলো সবার স্ক্রিন যেহেতু এক নয়, সেহেতু অনেকের ক্ষেত্রেই এলার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • কিছু কিছু আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলেন সরিষার তেল পিত্ত বৃদ্ধি করে। যদি আপনার শরীরে অতিরিক্ত বৃদ্ধ হয় তাহলে আপনার শরীরে জ্বর জ্বালাপোড়ার অনুভূতি এবং প্রদাহ হতে পারে। মূলত এই আর্টিকেলের অংশটুকু উপরে আশা করি আপনারা সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

রান্নায় সরিষার তেলের অপকারিতা

রান্নায় সরিষার তেলের অপকারিতা খুবই কম। সরিষার তেল আমাদের খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। তবে এই তেলের ব্যবহারে কিছু অপকারিতাও থাকতে পারে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আসুন জেনে নিই রান্নায় সরিষার তেলের কিছু অপকারিতা।

অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বিষাক্ত উপাদানের সৃষ্টিঃ সরিষার তেলে উচ্চ মাত্রায় ইরুসিক অ্যাসিড থাকে, যা অতিরিক্ত তাপে বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘদিন এই তেলে রান্না করলে স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

অ্যালার্জির সম্ভাবনাঃ সরিষার তেলে কিছু মানুষের অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে। এটি ত্বকে র‌্যাশ, চুলকানি, এমনকি শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

হজমে সমস্যাঃ সরিষার তেলের অতিরিক্ত ব্যবহার অনেকের হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি পেটের ব্যথা, গ্যাস বা বমির সমস্যা বাড়াতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ঝুঁকিঃ গর্ভবতী নারীদের সরিষার তেল ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হয়। এর কিছু উপাদান গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

রান্নায় সরিষার তেলের উপকারিতা

রান্নায় সরিষার তেলের উপকারিতা রয়েছে অনেক। রান্না অনেক সুস্বাদু করতে সরিষার তেলের ব্যবহার অনেক আদিম যুগ থেকে প্রচলিত। অনেক মানুষ রয়েছে যারা বিভিন্ন রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করেন বা ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। রান্নায় সরিষার তেল খাওয়ার ফলে কি কি উপকারিতা হয় আপনারা কি জানেন? হয়তো অনেকেই জানেন না। 
আজকে আমি এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে রান্নায় সরিষার তেলের উপকারিতা কি কি রয়েছে তা বিস্তারিত আলোচনা করব। যেহেতু আপনারা উপরে সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন, সেহেতু রান্নায় ব্যবহার করলে কি কি স্বাস্থ্যকর উপকারিতা হয় চলুন এবার সেগুলোও জেনে নিন।

মাথা ব্যথা উপশম করেঃ অনেকেরই মাথা ব্যাথা হয়ে থাকে তবে এই মাথাব্যথা দূর করতে আপনারা চাইলে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। কারণ সরিষার তেলে থাকে ম্যাগনেসিয়াম আর এই উপাদান মাইগ্রেন বা মাথাব্যথা দূর করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। যদি আপনারা প্রতিদিন সরিষার তেল খেতে পারেন তাহলে স্নায়ুতন্ত্র কেউ প্রশমিত রাখতে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যথা কমাতে অত্যন্ত সাহায্য করে। তাহলে বুঝতেই পারছেন সরিষার তেল কতটুকু উপকারী।

হজমে সাহায্য করেঃ যদি আপনি প্রতিনিয়ত রান্নাই সরিষার তেল খেতে পারেন তাহলে হজমের জন্য খুবই উপকারী। কারণ অনেকেই রয়েছে যাদের বদহজমের সমস্যা রয়েছে তারা যদি নিয়মিত সর্ষে তেল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করেন তাহলে আশা করি এ ধরনের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন।

অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ করেঃ অনেক মানুষ রয়েছে যাদের অল্প বয়সে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে যায়। তবে এই ধরনের সমস্যা এড়াতে আপনারা চাইলে সরিষার তেল রান্নাই ব্যবহার করে খেতে পারেন। কারণ এই সরিষার তেলে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে যা ত্বকের অকাল বাধ্য করতে অনেক বেশি সাহায্য করে ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

ত্বক আর্দ্র রাখেঃ ত্বক ভালো রাখা অত্যন্ত জরুরী। কারণ ত্বকের যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে তাই এ সমস্যা এড়াতে নিয়মিত সরিষার তেল রান্নায় ব্যবহার করে খেলে আপনার ত্বকের আর্দ্র ধরে রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। পাশাপাশি ত্বকে ব্রণের সমস্যা হলেও সেটি দূর করতে সাহায্য করবে।

ত্বকে সরিষার তেলের উপকারিতা 

ত্বকে সরিষার তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আপনারা যদি না জেনে থাকেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেল থেকে জেনে নিতে পারেন। কারণ অনেকেই সরিষার তেল ত্বকের ব্যবহার করে কিন্তু কি কি উপকারিতা হয় সেটা অনেকেই জানেন না। যেহেতু আপনারা জানেন না সেহেতু অবশ্যই এই আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করবেন। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।

সরিষার তেলে রয়েছে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান যা শরীরের এলার্জি ও র‍্যাশ প্রতিরোধ করতে বিশেষভাবে ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয় ত্বকের শুষ্কতা দূর করতেও অনেক বেশি সাহায্য করে। যদি আপনারা সরিষার তেল ব্যবহার করেন তাহলে চুলকানি সহ আরো শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করবে।  

অনেকেরই বিভিন্ন কারণে ত্বকে ডার্ক স্পট পড়ে যায়, তবে যদি আপনার এ ধরনের সমস্যা হয় তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনারা চাইলে সরিষার তেল ব্যবহার করে এ ধরনের সমস্যা দূর করতে পারবেন। এছাড়াও ত্বকে পিগমেন্টেশন ঠেকাতে আপনারা সরিষার তেল দই এবং বেসন ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশ্রণ করে ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে এ ধরনের সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়। 
ত্বকে সরিষার তেলের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন
যদি আপনারা ত্বক অনেক নরম এবং উজ্জ্বল করতে চান, তাহলে সরিষার তেল ও নারকেল তেল একসঙ্গে মিশ্রণ করে ১০ মিনিট ত্বকে ম্যাসাজ করলে অনেকটা ত্বক উজ্জ্বল ও নরম থাকবে। আশা করি বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছেন।

চুলের জন্য সরিষার তেলের উপকারিতা

চুলের জন্য সরিষার তেলের উপকারিতা অন্যান্য সকল তেলের চাইতে অনেক বেশি। চুলের জন্য সরিষার তেল কতটা উপকারে যদি আপনারা জানেন তাহলে হয়তো প্রতিনিয়ত আপনারা সরিষার তেল চুলে ব্যবহার করবেন। তবে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চুলের জন্য সরিষার তেলের উপকারিতা কি কি রয়েছে জেনে নিন।

চুল পড়া রোধ করেঃ চুলের একটি সাধারণ সমস্যা হল পড়ে যাওয়া। তবে এই চুল পড়া রোধ করতে অনেক বেশি সাহায্য করতে পারে সরিষার তেল। কারণ তেলের যে পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা আপনার চুলের স্ট্র্যান্ডকে মজবুত করতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়ায় পুষ্টি দিতে সহায়তা করে ফলে আপনার চুল পড়া কমতে পারে এবং নিয়মিত চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে।

চুলের খুশকি দূর করেঃ কমবেশি অনেক মানুষেরই চুলে খুশকি হয়ে থাকে যা একটি বিরক্ত কর সমস্যা। তবে এই খুশকি এড়াতে সরিষার তেল অত্যন্ত কার্যকারী। কারণ সরিষার তেলের মধ্যে এন্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা চুলের খুশকি সৃষ্টিকারী ছত্রাক দূর করতে সাহায্য করে ফলে আপনার খুশকি খুব সহজেই দূর করা যায়। এছাড়াও মাথার ত্বকে সরিষার তেল লাগিয়ে রাখার কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেললে আপনার উল্লেখযোগ্যভাবে খুশকি কমতে পারে।

চুলকে শক্তিশালী করে তোলেঃ সরিষার তেলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ফ্যাটি অ্যাসিড এবং আরো বিভিন্ন খনিস সমৃদ্ধ যা চুলের শিকড় থেকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। সরিষার তেল মাথার ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং চুলের ফলিকল কে পুষ্টি যোগায় এবং শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যকর চুল করতে সাহায্য করে।

হাইড্রেট এবং কন্ডিশন চুলঃ কমবেশি অনেকেরই মাথার ত্বকের চুলের আগা ভাঙ্গা হতে পারে অর্থাৎ ফেটে যায়। তবে এ ধরনের সমস্যা এড়াতে সরিষার তেল প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে দারুণ কাজ করে। যদি আপনারা সরিষার তেল নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন তাহলে শুষ্কতা রোধ করতেও সাহায্য করবে।

সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম

সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম হলো প্রতিদিন রান্না করে খাওয়া যেতে পারে, ঠিক তেমনি বিভিন্ন মুখরোচক মাখায় সরিষার তেল খাওয়া হয় যেমনঃ মুড়ি, চানাচুর, ঝালমুরি, চিড়া, বুট, বাদাম, চাউল চিড়া, ভাজা ইত্যাদি। এছাড়াও অনেকে বিভিন্ন রকমের ভর্তায় সরিষার তেল ব্যবহার করে খেয়ে থাকেন। অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন রকমের ভর্তায় সরিষার তেলের ব্যবহার হয়ে আসছে। 
সরিষার তেল খাওয়ার নিয়ম
এই তেল ছাড়া যেন কোন রকম ভর্তা একদমই সাধযোগ্য নয়। বিভিন্ন রকম ভর্তা রয়েছে যেগুলোতে সরিষার তেল ব্যবহার করা হয় যেমনঃ আলু ভর্তা, বেগুন ভর্তা, পটল ভর্তা, মাছ ভর্তা, সবজি ভর্তা, শাক ভর্তা ইত্যাদি।

শেষ কথাঃ সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা

সম্মানিত পাঠক আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে সরিষার তেল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। অনেকেই সরিষার তেল খেয়ে থাকেন কিন্তু আর কি কি উপকারিতা রয়েছে আশা করি এই আর্টিকেল সম্পূর্ণ পড়ে জানতে পেরেছেন। 
এছাড়াও রান্নায় সরিষার তেলের অপকারিতা কি রয়েছে এ বিষয়টিও আশা করি সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন। তাই আপনারা যারা এই আর্টিকেলটি পড়েছেন তারা অবশ্যই এই আর্টিকেলে একটি কমেন্ট করে জানিয়ে যাবেন। এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url