গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে প্রতিটি গর্ভকালীন নারীর জেনে রাখা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলেন গর্ভকালীন সময়ে বেগুন খাওয়ার বিভিন্ন উপকার রয়েছে।
তবে খুব বেশি মাত্রায় বেগুন খেলে গর্ভবতী মা ও সন্তানের ক্ষতি হতে পারে। তাহলে চলুন গর্ভকালীন সময়ে কি পরিমানে বেগুন খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে বিস্তারিত এই আর্টিকেলে জেনে নিই।
পেজ সূচিপএ
গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা গুলো প্রতিটি গর্ভবতী মা এর জেনে রাখা উচিত। কারণ গর্ভকালীন সময়ে কোন খাদ্য কতটুকু খেতে হবে সেই সম্পর্কে জ্ঞান রাখা প্রতিটি মায়ের একটি প্রধান দায়িত্ব। যাতে বাচ্চার কোন ক্ষতি না হয় সেইদিক ভেবেই একটি গর্ভবতী মায়ের এই খেয়াল গুলো রাখা উচিত।
বেগুন একটি উপকারি খাদ্য। এটি শরীরে পুষ্টি সরবরাহ করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ জাতীয় পদার্থ। এগুলো একটি গর্ভবতী মায়ের শরীরের পুষ্টির অভাব পূরণ করবে এবং বাচ্চা সুষ্ঠুভাবে বেড়ে উঠবে।
এছাড়াও বেগুন খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। বেগুনে ফাইবার থাকার কারণে এটি খুবই তাড়াতাড়ি হজম শক্তি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য জনিত সমস্যা থেকে গর্ভবতী মাকে বাঁচায়। কারণ গর্ভকালীন সময়ে মায়ের হজমশক্তি জনিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
তারপরে ঠিকমতো খাবার হজম না করতে পারে মাকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই গর্ভকালীন সময়ে বেগুন খাওয়ার উপকারিতা অনেক। তাছাড়া বেগুন একটি লো ক্যাডারের যুক্ত খাদ্য। তাই গর্ভবতী মায়ের অধিক ফ্যাট বৃদ্ধির কোন ভয় থাকে না। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
সুতরাং একটি গর্ভবতী মায়ের জন্য বেগুন খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেগুন ভাজা অথবা বেগুনের ঝোল তৈরি করে খাওয়া উত্তম। পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে কম তেলে বেগুন রান্না করার চেষ্টা করা ভালো। এতে কোন ধরনের গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। তাই প্রতিটি গর্ভবতী মায়ের উচিত গর্ভকালীন সময়ে নিয়ম অনুযায়ী বেগুন খাওয়া।
বেগুনের ক্ষতিকর দিক
বেগুনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে প্রতিটি গর্ভকালীন নারীর জেনে রাখা প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি গর্ভকালীন নারীর কোন খাদ্য শরীরের জন্য ভালো এবং কোন খাদ্য শরীরের জন্য ক্ষতিকর সে সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান থাকা উচিত।
এতে করে গর্ভাবস্থায় তার এবং তার সন্তানের কোন ধরনের সমস্যা হবে না। বেগুনের অনেক ভালো দিক রয়েছে আবার খারাপ দিকও রয়েছে। অতিরিক্ত পরিমাণে বেগুন খাওয়া গর্ভবতীর সময় বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। পরিমাণমতো বেগুন খেতে হবে যাতে পরবর্তীতে কোন সমস্যায় না পড়তে হয়। নিম্নে বেগুন খাওয়ার ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হলোঃ
- গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি জনিত সমস্যাঃ অতিরিক্ত বেগুন খাওয়ার গরবস্থায় গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যা হতে পারে। কারণ গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী নারীর হজম শক্তি কমে যায়।
- এলার্জিজনিত সমস্যাঃ আমরা সকলেই জানি বেগুন একটি এলার্জি সৃষ্টিকারী খাদ্য। এলার্জি হলে ত্বকে চুলকানি অথবা শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
- ক্যালসিয়াম শোষণে বাধাঃ বেগুনে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট থাকে। যার শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধাগ্রস্থ করতে পারে।
- রক্তচাপ জড়িত সমস্যাঃ বেগুনের থাকা কিছু উপাদান রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু বেগুন অধিক পরিমাণে খেলে রক্তচাপ জনিত সমস্যা হতে পারে।
সবশেষে এই বলবো যে সুস্থ মানুষের জন্যেও বেগুন পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত। তাহলে গর্ব অবস্থায় আরো বেশি সতর্ক থাকতে হবে বেগুন খাওয়ার সময়। আমরা ইতোমধ্যেই গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছি। এখন অতিরিক্ত বেগুন খাওয়ার ক্ষতিকর দিকগুলো আলোচনা করলাম। এগুলো মেনে পরিমান মত বেগুন খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না
গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না তা সম্পর্কে প্রতিটি গর্ভবতী নারীর জেনে রাখা উচিত। গর্ভাবস্থায় মায়েদের খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর ও সঠিক খাবার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এমন কিছু সবজি রয়েছে যেগুলো গর্ভকালীন সময়ে পরিমিত ভাবে অথবা একেবারেই না খাওয়া উচিত। যেমনঃ
- কাঁচা পেঁপে ও আনারসঃ কাঁচা পেঁপে অথবা আনারস গর্ভধারণের প্রথম দিক থেকেই মায়ের জন্য বিপদজনক হতে পারে। এটি জরায়ুর সংগঠন বাড়িয়ে দেয় যা গর্ভপাতে সৃষ্টির কারণ হতে পারে।
- কাঁচা বেগুনঃ বেগুনে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক হরমোন থাকে। তাই অতিরিক্ত বেগুন খেলে বিভিন্ন ধরনের হরমোন জনিত সমস্যা হতে পারে।
- মেথি পাতা ও ধনেপাতাঃ গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত পরিমাণে মেথির পাতা অথবা ধনেপাতা খেলে ডায়রিয়া জড়িত সমস্যা হতে পারে।
- অধিক কীটনাশক যুক্ত সবজিঃ বর্তমানে প্রতিটি সবজিতেই অধিক কীটনাশকের ব্যবহার করা হয়। যেমন গাজর শসা বাঁধাকপি ইত্যাদি। এগুলো খাদ্য এড়িয়ে চলতে হবে।
- অজানা সবজিঃ গ্রামে অনেক ধরনের অজানা সবজি পাওয়া যায় যেগুলো গ্রামের মানুষেরা খায়। কিন্তু সেই সবজিগুলো না জেনে খাওয়া উচিত না। এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।
সুতরাং গর্ভকালীন সময়ে যেকোনো সবজি খাওয়ার আগে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং ভালোভাবে সেদ্ধ করে নিতে হবে। যাতে সেই সবজি খাওয়ার পরে কোন ধরনের হরমোন জনিত সমস্যা অথবা গর্ভাবস্থায় মায়ের ও শিশুর যেন কোন সমস্যা না হয়। সর্ব উত্তম হল চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভকালীন সবজির একটি তালিকা তৈরি করে নেওয়া।
বেগুনে কি কি ভিটামিন আছে
বেগুনে কি কি ভিটামিন আছে তা সকলের জন্য জেনে রাখা প্রয়োজন। কারণ আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় বেগুন থাকে। তাই সে সম্পর্কে জেনে রাখা সকলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বেগুন খেলে কি হয়, বেগুনের ক্ষতিকর দিক ইত্যাদি সবকিছু সম্পর্কে প্রতিটা মানুষের জেনে রাখা উচিত। তাতে পরবর্তীতে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। বেগুনে সমৃদ্ধ কিছু ভিটামিন হলোঃ
- ভিটামিন সিঃ ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরের সুষ্ঠু গঠন নিশ্চিত করে।
- ভিটামিন কেঃ ভিটামিন কে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। এছাড়াও শরীরের হাড় শক্ত করতে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।
- ভিটামিন বি কমপ্লেক্সঃ এটি শৈলের শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতন্ত্র জনিত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর সাথে কোষ বিভাজন এবং গর্ভাবস্থায় ভ্রুণের বিকাশে অনেক বড় ভূমিকা রাখে।
অতএব আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বেগুন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন যাবে এবং আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। যাতে আপনি সুস্থ ও সবল ভাবে জীবন যাপন করতে পারেন।
বেগুন খেলে কি এলার্জি হয়
বেগুন খেলে কি এলার্জি হয় এটা একটি সাধারণ প্রশ্ন। উত্তরটি হল হ্যাঁ, বেগুন খেলে কিছু মানুষের এলার্জি হতে পারে। কিন্তু এটি খুব একটা মানুষের শরীরে দেখা যায় না। কিন্তু কিছু বিশেষ মানুষের শরীরে বেগুনে বিদ্যমান রাসায়নিক উপাদান থাকায় তাদের এলার্জিজনিত সমস্যা হয়।
বেগুনে এলার্জির মূল কারণ হলো সোলানাইন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে। যা কিছু মানুষের জন্য অ্যালার্জি কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়াও হিস্টামিন জাতীয় একটি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে যা মানব শরীরের সংবেদনে ব্যাঘাত ঘটায় এবং এলার্জির সৃষ্টি করে। তবে গর্ভবতী নারীর জন্য
আরো পড়ুনঃ ছেলেরা তেঁতুল খেলে কি হয়
এলার্জি হলে যে যে লক্ষণ গুলো দেখা দেয় সেগুলো হলো, ত্বকের র্যাশ অথবা চুলকানি হওয়া। মুখ জোব্বা এবং গলা ফুলে যাওয়া। পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং বিভিন্ন হজমজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়। শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির মত ভয়াবহ সমস্যা ও হতে পারে। চোখে পানি পড়া অথবা চোখ চুলকানো এবং লাল হয়ে যাওয়া এলার্জির প্রধান লক্ষণ। এগুলো যদি আপনার শরীরে হয় তাহলে বুঝবেন বেগুন খাওয়ার কারণেই আপনার শরীরে এলার্জি বৃষ্টি হচ্ছে।
বেগুন খেলে কি ওজন বাড়ে
বেগুন খেলে কি ওজন বাড়ে তা আপনারা অনেকেই জানেন না। আসলেই বেগুন খেলে ওজন বাড়ে কিনা তা প্রতিটা মানুষের জানা উচিত। এর ফলে স্বাস্থ্যবান মানুষেরা বেগম খাওয়া বাদ দেবে এবং অস্বাস্থ্যবান মানুষেরা বেগুন খাওয়া শুরু করবে। আসলে বেগুন খেলে সাধারণত ওজন বাড়ে না। এটি একটি লোক ক্যালরি খাবার যা বিভিন্ন ভিটামিনের সমৃদ্ধ কিন্তু ফ্যাটের পরিমাণ খুবই কম। প্রতি ১০০ গ্রাম বেগুনে মাত্র ২৫ ক্যালোরি থাকে যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। অতিরিক্ত ওজনওয়ালা ব্যক্তিরা বেগুনকার অভ্যাস করতে পারেন। তাছাড়া গরবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা অনেক।
শীতকালীন বেগুন চাষ পদ্ধতি
শীতকালীন বেগুন চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে কৃষকদের সঠিক জ্ঞান থাকা উচিত। কারণ বেগুন হলো একটি শীতকালীন সবজি। তাই প্রতিটা কৃষকের এর চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। শীতকালে বেগুন চাষ করে লাভবান হওয়ার জন্য দোআশ অথবা বেলে মাটিতে বেগুন রোপন করতে হবে। জমি দুই থেকে তিনবার চার্জ দিয়ে ভালোভাবে জোড় জোড়ে করে নিতে হবে। সকল প্রকার আগাছা পরিষ্কার করতে হবে এবং উঁচু জমি তৈরি করে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে বেগুন চাষ করতে হবে।
উচ্চ ফলনশীল বীজ বাছাই করতে হবে এবং আবহাওয়া ও জলবায়ুর দেখে খেয়াল রেখে বীজ রোপণ করতে হবে। যারা রোপনের সময় প্রতিটি সারির মধ্যে ৭৫ সেমি জায়গা রাখতে হবে। বিকেলের দিকে চারা রোপন করলে অধিক ফলন হয়। বেগুন চাষে স্থানীয় কৃষি অফিসারের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনমতো আধুনিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করে চাষ করুন। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে শীতকালে বেগুনের ফলন অনেক ভালো হবে।
সাদা বেগুনের উপকারিতা
সাদা বেগুনের উপকারিতা সম্পর্কে হয়তো আপনারা অনেকেই জানেন না। আবার অনেকে এমন আছেন যারা সাদা বেগুনি হয়তো চিনেন না। সাদা বেগুন মূলত পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এটি সাধারণত বেগুনের মতোই তবে এর রংটা সাদা এবং এতে অনেক গুনাগুন রয়েছে। সাদা বেগুনে উচ্চমাত্রায় ফাইবার রয়েছে যা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া সাদা বেগুনে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম এটি একটি লো ক্যালোরি খাবার। গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা অনেক তাই প্রতিটি গর্ভবতীর এই বেগুন খাওয়া উচিত।
আরো পড়ুনঃ লেটুস পাতার ১৫টি উপকারিতা ও ব্যবহার
এছাড়াও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাদা বেগুন অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। এতে শর্করার পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ থাকে। এটি হার্টের জন্য অনেক ভালো। সাদা বেগুনে অনেক এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যেগুলো রক্ত নিয়ন্ত্রণে অনেক সাহায্য করে। এছাড়াও সাদা বেগুনে ভিটামিন সি থাকাই এটি ত্বকের কোর্সগুলোকে জীবিত রাখে। ফলে সুন্দরতা বৃদ্ধি পায়। সুতরাং সাদা বেগুনে পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সাধারণ বেগুনের মতো হলেও এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম ও ফাইবারের পরিমাণ বেশি রয়েছে। যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
আমাদের শেষ কথা - গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় বেগুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন। এছাড়াও গর্ভকালীন সময়ে বা গর্ভকালীন সময়ে ব্যতীত বেগুন খাওয়ার গুরুত্ব এতক্ষণে আর্টিকেল পড়ে বোঝার কথা। তাই বেগুন খাওয়ার সময় পরিমাণটা ঠিক রাখবেন তাহলে কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হবেন না।
এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আর্টিকেলটি পড়ার পর আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়ে দিন এবং আপনার বন্ধুদের সাথে আর্টিকেলটি শেয়ার করুন যাতে তারাও এটি পড়তে পারে। এছাড়াও আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত এই ধরনের তথ্যবহুল আর্টিকেল পাবলিশ করে থাকে। তাই আমাদেরকে ফলো করুন।
বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url