নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা জানুন
নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা সম্পর্কে জানতে আপনি কি অনেক বেশি আগ্রহী? যদি আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে বিস্তারিত জানতে আজকের আর্টিকেলটি আপনাকে পড়ে নিতে হবে।
আপনি যদি গর্ভাবস্থায় স্বপ্নে ডাব দেখলে কি হয়, ডাবের পানির উপকারিতা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব মনোযোগ সহকারে করুন।
পেজ সূচিপএ
নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা
নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। নারিকেল যেমন আমাদের কাছে খুব উপকারী একটি ফল তেমন নারিকেলের শাঁসেও রয়েছে অনেক উপকার। নারিকেলের পানি বের করার ফলে নারিকেলের ভেতরে যে সাদা অংশ দেখা যায় সেটিকেই আমরা নারিকেলের শাঁস হিসেবে চিনি। বর্তমানে নারিকেলের শাঁস দিয়েও মজাদার মাখন তৈরি করা হয়। নারিকেল শাঁসের মধ্যে আসলেই কতটুকু পুষ্টিগুণ রয়েছে চলুন তা জেনে নেওয়া যাক।
নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা
হজম শক্তি বাড়ায়
নারিকেল শ্বাসের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। সাধারণত নারিকেলের শাঁসকে ফাইবারের উৎস হিসেবে ধরা হয়। আর ফাইবার আমাদের হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপ কমায়
শাঁসের মধ্যে থাকা পটাশিয়াম আমাদের শরীরের উচ্চ রক্তচাপ কমায়। যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় নারিকেলের শাঁস রাখতে পারেন। তাছাড়া পটাশিয়াম আমাদের শরীরে পানি ও সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই অনেকেই ব্যায়াম করার আগে ও পরে নারিকেলের শাঁস খাবার হিসেবে খেয়ে থাকে। হাফ কাপ নারিকেল শাঁসে ১৮৫ গ্রাম পটাশিয়াম থাকে।
প্রোটিনের উৎস
নারিকেল শাঁসের মধ্যে রয়েছে অ্যামিনো এসিড। অ্যাসিড প্রোটিনের সরবরাহ করে আর। এ প্রোটিন আমাদের লিভার ত্বক এবং দাঁতের সমস্যা দূর করে।
আয়রনের উৎসব
নারিকেল শাঁসের মধ্যে রয়েছে আয়রন, হাফ কাপ নারিকেলের শাঁস খেলে আমাদের দেহে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয়।
রক্ত বাড়ায়
নারিকেল শাঁসের মধ্যে থাকা ভিটামিন আমাদের শরীরে লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি করে এবং রক্তশূন্যতা সমস্যা দূর করে।
ডায়াবেটিস দূর করে
নারিকেল শ্বাসের মধ্যে থাকা ফ্যাট এবং চর্বি আমাদের দেহে ইনসুলিনের মাত্রা বজায় রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নারিকেলের আঁশ খুব উপকারী একটি খাদ্য।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
নারিকেলের মধ্যে রয়েছে খুব কম ক্যালরি। যা আমাদের অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণের সাহায্য করে। তাছাড়া নারিকেলের আঁশ ফাইবার যুক্ত হওয়ায় আমাদের পেট অনেকক্ষন ভর্তি থাকে এবং শরীরে অল্প গুণের মধ্যে শক্তি বৃদ্ধি পায় আর ফাইবার থাকার কারণে আমাদের অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগে না সে ক্ষেত্রে ওজনের নিয়ন্ত্রণে থাকে।
গর্ভাবস্থায় স্বপ্নে ডাব দেখলে কি হয়
গর্ভাবস্থায় স্বপ্নে ডাব দেখলে কি হয় আমাদের মধ্যে অনেকেই এ বিষয়ে ধারণা নেই গর্ভবতী মহিলারা অনেক সময় স্বপ্নে নারিকেল কিংবা কচি ডাব দেখে থাকেন চলুন তাহলে গর্ভাবস্থায় স্বপ্ন ডাব দেখলে কি হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
- যদি কোন গর্ভবতী মহিলা স্বপ্নের ডাব খেতে দেখে তাহলে এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা হলো খুব দ্রুতই তার জন্য একটি খুশির সংবাদ আসবে।
- যদি কোন গর্ভবতী মহিলা স্বপ্নে দেখে কচি ডাব খাচ্ছে তাহলে তার জন্য একটু দুঃসংবাদ আসতে পারে।
- যদি কোন গর্ভবতী মহিলা স্বপ্নে দেখে যে তার কাছে একটি ডাব আছে কিংবা গাছ থেকে পেড়ে খাচ্ছে তাহলে সেই গর্ভবতী মহিলা ছেলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি খাওয়ার উপকারিতা অনেক। চিকিৎসকরা গর্ভের তিন মাস পর থেকে প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস করে ডাবের পানি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ডাবের পানির মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্লোরাইড। ডাবের পানি প্রতিদিন খেলে একজন গর্ভবতী মায়ের শরীরে তরল পদার্থের পরিমাণ তৈরি হয়।
ডাবের পানির উপকারিতা
শিশুর মস্তিষ্ক ভালো রাখতে
শিশুর মস্তিষ্ক ভালো রাখতে এক গ্লাস ডাবের পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে প্রতিদিন আপনি যদি নিয়ম করে এক গ্লাস ডাবের পানি খান তাহলে আপনার গর্ভের শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশের সহায়তা করে।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ
গর্ভাবস্থায় ব্লাড প্রেসার এর মত সমস্যায় আমরা ভুগি। ডাবের পানি ব্লাড প্রেসার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া শরীরের রক্ত বাড়ায় এবং মূত্রাশয় থেকে আসা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা
গ্যাস্ট্রিকের বিভিন্ন সমস্যা থেকে ডাবের পানি গর্ভাবস্থায় মুক্তি দেয় বুক জ্বালাপোড়া বমি বমি ভাব এমনকি বদহজমের ক্ষেত্রেও ডাবের পানি ভূমিকা অনেক।
দুর্বলতা কাটায়
বেশিরভাগ গর্ভবতী নারীর সকালবেলা শরীর অনেকটা দুর্বল অনুভূত হয়। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস ডাবের পানি খেলে দুর্বলতা দূর করা সম্ভব।
স্বাস্থ্যের জন্য উপকার
ডাবের পানির মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ফাইবার আর এই উপাদানগুলো মা এবং গর্ভের শিশুর সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা
কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানলে আপনি অবাক হবেন কচি ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো এসিড এনজাইম বি কমপ্লেক্স ভিটামিন সি ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম আয়রন পটাশিয়াম ম্যাগানিজ শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম ঝরে গেছে, পেট খারাপ, গ্যাস, অম্বল, মাথা ঘোরা ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে ডাবের পানির কোন জুড়ি নেই।
কচি ডাব খাওয়ার উপকারিতা
- কচি ডাবের পানি আমাদের শরীরে ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে, তাছাড়া ওজন কমায়, ব্লাড প্রেসার কমায় এবং হার্ট ঝুঁকি কমায়।
- প্রতিদিন এক গ্লাস ডাবের পানি আমাদের শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়ায় এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
- কচি ডাবের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম থাকার কারণে কিডনির যে কোন সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- তাছাড়া বাহিরের যে কোন খাবার খেয়ে আমাদের অনেক সময় পেটের বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া কিংবা জীবাণু আক্রমণ করে আর এগুলো নিরাময় করতে কচি ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী।
- আপনার যদি শরীর দুর্বল লাগে কিংবা ডায়রিয়ার মত সমস্যা দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই পানির চাহিদা পূরণ করার জন্য কচি ডাব খাওয়া উচিত।
- ডাবের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান থাকার কারণে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার জন্যই ডাবের পানি খাওয়ার জন্য উপযোগী।
সচার আচার জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন উত্তর
১. নারিকেল খেলে কি গ্যাস হয় ?
নারিকেল একটু শক্ত আর যা সহজে আমাদের হজম হতে একটু কষ্ট হয় তাই প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণে নারিকেল খেলে আপনার গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
২. নারিকেল খেলে কি ওজন বাড়ে ?
নারিকেল খেলে ওজন বাড়েনা বরং নিয়মিত নারিকেল খেলে আমাদের ওজন অনেকটা কমে আসে কারণ নারিকেলের মধ্যে রয়েছে ফাইবার আর ফাইবার আমাদের পেট অনেকক্ষণ পর্যন্ত ভরে রাখে এতে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৩. গর্ভাবস্থায় স্বপ্নে নারিকেল দেখলে কি হয় ?
গর্ভাবস্থায় স্বপ্নে নারিকেল দেখলে একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য সুসংবাদ আসতে পারে।
নারিকেল তেল খাওয়ার উপকারিতা
নারিকেল তেল খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে অনেক। নারিকেল তেল খাওয়ার বিষয়ে যদি আপনার জানা না থাকে তাহলে অবশ্যই আজকে জেনে নিন। কারণ নারিকেল যেমন আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী তেমন নারিকেলের তেল খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। নারিকেলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ। তাই নারিকেল তেল খেলেও আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারী।
বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসের রোগী রয়েছেন তারা অবশ্যই তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় নারিকেল তেল রাখার চেষ্টা করুন কিংবা নারিকেল তেল দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন এতে আপনার সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রনে থাকবে এবং আপনার শরীরে ক্ষতিকর চর্বি উৎপন্ন হতে পারবে না। আসুন তাহলে জেনে নেই নারিকেল তেল খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।
নারিকেল তেল সাধারণভাবে আমরা মশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করে থাকি আমাদের ত্বকের যত্নের জন্য কিন্তু এই তেল খাবার ব্যবহার করা যায় এবং শরীরের জন্যও এই তেল বিশেষ উপকারী নারিকেল তেলের মধ্যে রয়েছে লরিক অ্যাসিড যা একটি প্রাকৃতিক এন্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টিভাইরাস উপাদান এন্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টিভাইরাস উপাদান গুলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
নারিকেল তেল আমাদের শরীরের কোলেস্টোরল কমিয়ে রক্তের শর্করার নিয়ন্ত্রণে রাখে। যার ফলে আমাদের হৃদরোগের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। এছাড়া নারিকেল তেল আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং লিভারের কার্যক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি করে।
নারিকেলের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। যা আমাদের শরীরের ক্ষতিকর কোষগুলোকে নষ্ট করে। নারিকেল তেল আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং আলজেমার রোগ প্রতিরোধ করে থাকে। যাদের থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে তারা প্রতিদিন নারিকেল তেল খেতে পারেন এতে আপনার হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
নারিকেল তেলের মধ্যে এমন কিছু বিশেষ উপাদান রয়েছে যা আমাদের রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তে ইনসুলিন তৈরি হতে সাহায্য করে ফলে যারা ডায়াবেটিসের রোগী রয়েছেন তারা প্রতিনিয়তই তাদের খাদ্য তালিকায় নারিকেলের তেল রাখতে পারেন। এতে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ক্ষতিকর ফ্যাট দূর হবে এবং শরীর মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবে।
খালি পেটে ডাবের পানির উপকারিতা
খালি পেটে ডাবের পানির উপকারিতা সম্পর্কে প্রত্যেকের জানা উচিত। ডাব একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ভিটামিন যুক্ত পানীয়। সকালে খালি পেটে ডাবের জল খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে চা খাওয়ার আগে এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে নিলে আপনার শরীরের সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে এবং শরীরের ভিতরে বিভিন্ন ধরনের রোগ সংক্রমণ হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। ডাবের জলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিনযুক্ত উপাদান যা আমাদের শরীরে নানান ধরনের রোগের সঙ্গে লড়াই করতে প্রচুর ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে তারা অবশ্যই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস ডাবের জল খাওয়ার চেষ্টা করবেন। ডাবের পানির মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস ও পটাশিয়াম। খালি পেটে ডাবের পানি খাওয়ার পরে যদি আপনি ব্যায়াম করেন তবে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া পানি পূরণ করতে সাহায্য করবে।
তাছাড়া খালি পেটে ডাবের পানি খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য মত সমস্যা দূর হবে। যাদের পেটে ব্যথা হয় গ্যাস্টিকের সমস্যায় ভুগছেন তারা অবশ্যই খালি পেটে ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস ডাবের পানি যথেষ্ট সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার জন্য, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে। নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা এবং খালি পেটে ডাবের পানির উপকারিতা সম্পর্কে আশা করি আপনি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।
ডাব খাওয়ার সঠিক সময় কখন
ডাব খাওয়ার সঠিক সময় কখন সেটা জানার পরে যদি আপনি নিয়ম করে ডাব খেতে পারেন তাহলে ডাব থেকে সঠিক পুষ্টি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। আমাদের নিত্যদিনের খাবার গুলো আমরা কোন নিয়ম কিংবা সময় না মেনে খেয়ে থাকি। ভাবি খাবার খেলেই হয় কিন্তু না প্রতিটি খাবার যদি আপনি সঠিক সময় এবং সঠিক নিয়ম মেনে খেতে পারেন তাহলে উপকারটা আরো বেশি পাবেন। তাহলে আসুন জেনে নেই ডাব খাওয়ার সঠিক সময় কখন।
পুষ্টিবিদরা বলেন সকালে খালি পেটে পানি খাওয়ার বদলে আমরা যদি এক গ্লাস ডাবের পানি খেয়ে থাকি তাহলে সবচাইতে বেশি উপকার পেতে পারি। তাছাড়া সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পরে আমাদের শরীর অনেকটাই দুর্বল হয়ে পারে সকালে এক গ্লাস ডাবের পানি আপনার সারাদিনের দুর্বলতা কাটিয়ে দিতে সক্ষম। তাই প্রতিদিন অবশ্যই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আগে এক গ্লাস ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে
ডাব খেলে কি প্রেসার বাড়ে এই চিন্তায় বেশি ভাগ করে যারা বয়স্ক আছেন তারা। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষেরা ডাব খাওয়ার আগে ডাবের প্রেসার বাড়বে কিনা সেই নিয়ে অনেক চিন্তায় থাকেন। ডাব একটি খুব পুষ্টিকর ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অতি প্রয়োজনীয় পানীয় তবে অনেকের ধারণা ডাবে খনিজ পদার্থ থাকার ফলে ডাব খেলে প্রেসার বাড়তে পারে।
ডাবের মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। সোডিয়াম ডাবের মধ্যে থাকার কারণে ডাব খেলে অবশ্যই আমাদের প্রেসার বাড়ে তবে পটাশিয়াম ও ডাবের ভিতরে থাকার কারণে প্রেসার কমাতে সাহায্য করে। আর দুই উপাদানই ডাবের ভিতরে থাকার কারণে আমাদের প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই আমরা কোন চিন্তা ছাড়াই ডাব খেতে পারি।
আমাদের শেষ কথা -নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা
প্রিয় পাঠক আমি আশা করি আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে নারিকেলের শাঁসের উপকারিতা সম্পর্কে একটি সঠিক ধারণা পেয়েছেন। আপনার শরীরের জন্য নারিকেল একটি খুব উপকারী খাদ্য বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসের রোগী রয়েছেন তারা অবশ্যই প্রতিদিন অল্প পরিমাণে হলেও খাদালিকায় নারিকেল রাখার চেষ্টা করুন। তাছাড়া এই আর্টিকেলটি পড়ার পরে আপনি এটাও বুঝতে পেরেছেন যে ডাবের পানির উপকার কতটা আপনার শরীরের জন্য।
আরো পড়ুন: প্রতিদিন কয়টা আমলকি খাওয়া উচিত
আমার এই আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। এবং এরকম নতুন নতুন আরো বিষয় সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েবসাইটটি প্রতিদিন ভিজিট করুন।
বিডি অনলাইন আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url